shono
Advertisement

Breaking News

Ahmedabad Plane Crash

শেষের পথে তদন্ত, ত্রুটি নেই জ্বালানি সুইচে! আহমেদাবাদ দুর্ঘটনা নিয়ে কী বলছে কেন্দ্র?

দুর্ঘটনার পর একটি অন্তর্বর্তী তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। আর তাতে ককপিটে দুই বিমান চালকের মধ্যে দুর্ঘটনার ঠিক আগের মুহূর্তে কী কী কথা হয়েছিল, তার রেকর্ডিং প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে শোনা গিয়েছে ক্যাপটেন সুমিত সবরওয়াল এবং ফার্স্ট অফিসার ক্লাইভ কুন্দরের গলা।
Published By: Subhodeep MullickPosted: 04:36 PM Jul 29, 2026Updated: 05:29 PM Jul 29, 2026

আহমেদাবাদ কাণ্ডের তদন্ত প্রায় শেষের মুখে। বিমানের জ্বালানি সুইচের লকিং ব্যবস্থায় কোনও ত্রুটি খুঁজে পাননি তদন্তকারীরা। বুধবার সংসদে এমনটাই জানাল কেন্দ্র। এরপরই প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি পাইলটের ভুলেই কি এই ভয়ংকর দুর্ঘটনা?

Advertisement

বুধবার অধিবেশন চলাকালীন একটি প্রশ্নের উত্তরে অসামরিক বিমান পরিবহন প্রতিমন্ত্রী মুরলিধর মোহল বলেন, "বিমানটির মূল সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক সংস্থা একটি পরীক্ষা চালিয়েছে। সেখানে জ্বালানি সুইচ বা তার লকিং মেকানিজমে কোনও ত্রুটি পাওয়া যায়নি।" তবে মন্ত্রী জানিয়েছেন, উড়ানের ‘থ্রাস্ট কন্ট্রোল মডিউল’-টির বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা এখনও চলছে। তদন্তকারীরা এর ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছেন। অনেকে অভিযোগ করেছিলেন, আহমেদাবাদ দুর্ঘটনার চূড়ান্ত তদন্ত রিপোর্ট তৈরিতে দেরি করছে 'এয়ারক্রাফট অ্যাকসিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো’ (এএআইবি)। এদিন সরকার এই অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে। কেন্দ্রের বক্তব্য, বড় ধরনের বিমান দুর্ঘটনার তদন্ত কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমা মেনে চলে না; বরং নতুন নতুন তথ্য-প্রমাণের সঙ্গে সঙ্গে তদন্তের গতিপথ ও প্রক্রিয়া পরিবর্তিত হতে থাকে। মুরলিধর বলেন, "দুর্ঘটনার সম্ভাব্য সকল কারণ ও সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

প্রসঙ্গত, দুর্ঘটনার পর একটি অন্তর্বর্তী তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। আর তাতে ককপিটে দুই বিমান চালকের মধ্যে দুর্ঘটনার ঠিক আগের মুহূর্তে কী কী কথা হয়েছিল, তার রেকর্ডিং প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে শোনা গিয়েছে ক্যাপটেন সুমিত সবরওয়াল এবং ফার্স্ট অফিসার ক্লাইভ কুন্দরের গলা। এক জন অন্য জনকে ভয়ার্ত কণ্ঠে জিজ্ঞাসা করছেন, “কেন জ্বালানির সুইচ বন্ধ করে দিলে?”, উত্তরে অন্য জন জানাচ্ছেন, “আমি কিছু বন্ধ করিনি।” সেই দুই কণ্ঠস্বরের মধ্যে কোনটি কার, তা বোঝা যায়নি। তবে ককপিটে পাইলটদের সাধারণ অবস্থান বিবেচনা করে অনেকেরই অভিমত, সুইচ বন্ধের কথা বলা হয়েছিল ক্যাপ্টেন সুমিতকেই। এদিকে এই নিয়ে অভিযোগ উঠতে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন সুমিতের বাবা। তাঁর দাবি ছিল, দুর্ঘটনার স্বাধীন, নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়াই বাঞ্ছনীয়। কিন্তু অকারণে তাঁর মৃত পুত্রের মানহানির চেষ্টা চলছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement