মধ্যপ্রদেশে রাজধানী এক্সপ্রেসের পর এবার বিহারের প্যাসেঞ্জার ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। সোমবার সকালে বিহারের রোহতাস জেলায় সাসারাম স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি প্যাসেঞ্জার ট্রেনের কামরায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার সময় ট্রেনটিতে বহু যাত্রী উপস্থিত ছিলেন। তবে আগুন লাগার অল্প সময়ের মধ্যেই ট্রেন থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন তাঁরা। ফলে এই ঘটনায় কেউ হতাহত হননি বলেই জানা যাচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সাসারাম থেকে পাটনা যাওয়ার এই প্যাসেঞ্জার ট্রেনটি ৬ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে ছিল। সেই সময় হঠাৎ আগুন লাগে ট্রেনটিতে। বিষয়টি নজরে পড়তেই হুড়মুড়িয়ে ট্রেন থেকে নেমে আসতে থাকেন যাত্রীরা। মুহূর্তের মধ্যে বিধ্বংসী আকার নেয় আগুন। দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে ট্রেনের কামরা। যাত্রীদের আতঙ্ক চিৎকারের মাঝেই তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে আসে আরপিএফ, রেল কর্মীরা। তাঁদের তরফে দীর্ঘ চেষ্টার পর নিয়ন্ত্রণে আসে আগুন। রেল সূত্রে খবর, আগুনে একটি বগি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে। অন্য একটি বগিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সাসারাম থেকে পাটনা যাওয়ার এই প্যাসেঞ্জার ট্রেনটি ৬ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে ছিল। সেই সময় হঠাৎ আগুন লাগে ট্রেনটিতে।
প্রাথমিক তদন্তে রেলের অনুমান শর্ট সার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল তা জানতে তদন্তে নেমেছে রেল কর্তৃপক্ষ। ঘটনার পর দ্রুত যাত্রীদের সেখান থেকে সরিয়ে না নিলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারত বলে মনে করছে রেল কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য, রবিবার ভোরে তিরুবনন্তপুরম-নয়াদিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেসের একটি এসি কোচে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। মধ্যপ্রদেশের লুনি রিছা এবং বিক্রমগড় আলোট স্টেশনের মধ্যবর্তী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। দাউদাউ আগুনে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে ট্রেনের ভিতরে। হুড়োহুড়িতে চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ দেওয়ার চেষ্টা করেন কয়েকজন যাত্রী। তড়িঘড়ি লোকো পাইলটকে খবর দেয় ট্রেনের গার্ড। এরপরই জরুরি ভিত্তিতে ট্রেনটিকে থামিয়ে দেওয়া হয়। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় উদ্ধারকাজ। সেই ঘটনার পর ফের ট্রেনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা যাত্রী সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।
