shono
Advertisement
Delhi govt

সপ্তাহে দু’দিন বাড়ি থেকে কাজ, বেসরকারি সংস্থাগুলিকে প্রস্তাব দিল্লির সরকারের

সরকারি কর্মচারীদের জন্য সপ্তাহে দুদিন আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার দিল্লির সব বেসরকারি সংস্থাকেও সপ্তাহে অন্তত দুদিন কর্মচারীদের জন্য ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ বা বাড়ি থেকে কাজের ব্যবস্থা করার জোরালো আর্জি জানাল দিল্লি সরকার।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 11:32 AM May 18, 2026Updated: 11:32 AM May 18, 2026

সরকারি কর্মচারীদের জন্য সপ্তাহে দুদিন আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার দিল্লির সব বেসরকারি সংস্থাকেও সপ্তাহে অন্তত দুদিন কর্মচারীদের জন্য ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ বা বাড়ি থেকে কাজের ব্যবস্থা করার জোরালো আর্জি জানাল দিল্লি সরকার। শুধু তাই নয়, এবার জ্বালানি খরচ কমানো এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে বড় সিদ্ধান্ত নিল উত্তরপ্রদেশ সরকার। রাজ্যের বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান ও অফিসগুলিতে সপ্তাহে দুদিন ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ নীতি চালু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

Advertisement

জ্বালানির অপচয় না-করার জন্য কয়েক দিন আগেই দেশবাসীকে অনুরোধ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দৃষ্টান্ত স্থাপনের জন্য তিনি নিজের কনভয়ের গাড়ির সংখ্যাও কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর বার্তার পর দিল্লি সরকার ইতিমধ্যে সেখানে সরকারি কর্মীদের সপ্তাহে দুদিন করে বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে। সংবাদ সংস্থার খবর, সরকার ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, সরকারি দপ্তরের ৫০ শতাংশ বৈঠক এখন অনলাইনেই করা হবে। এর ফলে যাতায়াত কমবে ও জ্বালানি খরচও কমবে বলেই মনে করছে সরকার। পাশাপাশি কমবে যানজটও। আর যানজট কমানোর জন্য অফিসগুলোর সময়সূচিতেও বদল করা হবে। সেই ক্ষেত্রে দিল্লির সরকার ও দিল্লির পুরসভা আলাদা আলাদা সময়সূচি অনুসরণ করবে।

সরকার ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, সরকারি দপ্তরের ৫০ শতাংশ বৈঠক এখন অনলাইনেই করা হবে। এর ফলে যাতায়াত কমবে ও জ্বালানি খরচও কমবে বলেই মনে করছে সরকার।

সরকার আশা করছে, এর ফলে রাস্তার উপর চাপও অনেকটা কমবে। সেই মতো দিল্লির সব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে সপ্তাহে দুদিন করে কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করানোর পরামর্শ দিয়েছে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তের সরকার। অফিসের সময়েও প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করার জন্য বলা হয়েছে। একইসঙ্গে বেসরকারি সংস্থার কর্মীদেরও ‘কারপুল’ অর্থাৎ গাড়ি ভাগাভাগি করে কিংবা গণপরিবহণ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে দিল্লির শ্রম দপ্তর। তবে হাসপাতাল, স্বাস্থ্য পরিষেবা-সহ কিছু জরুরি পরিষেবা ক্ষেত্রকে এর আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। সর্বভারতীয় এক সংবাদসংস্থার সূত্রে খবর, দিল্লির শ্রম দপ্তরের পক্ষ থেকে জারি করা এক নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ‘‘জাতীয় স্তরে জ্বালানি বাঁচানোর এই মহৎ উদ্দেশ্যে শামিল হতে দিল্লির সমস্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান, কারখানা, দোকান ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে আইটি এবং আইটিইএস সংস্থাগুলিকে সপ্তাহে অন্তত দুদিন ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে।’’

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্দেশ্যে ৯০ দিনের একটি বিশেষ অভিযান ‘মেরা ভারত, মেরা যোগদান’-এর সূচনা করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকারি স্তরে এই নিয়ম চালু হলেও খুব দ্রুত বেসরকারি সংস্থাগুলিকেও এই অভিযানের পরিধিতে আনা হবে এবং শ্রম দপ্তর কড়া নজর রাখবে যাতে বেসরকারি ক্ষেত্রগুলি এই নির্দেশিকা পালন করে। রেখা গুপ্তার সরকার ঘোষণা করেছে, আগামী এক বছর কোনও মন্ত্রী বা কর্মকর্তা বিদেশ ভ্রমণ করবেন না। সমস্ত বিদেশ ভ্রমণ কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। আগামী তিন মাস কোনও বড় অনুষ্ঠান হবে না। বাইরের মানুষদের দিল্লি ভ্রমণে উৎসাহিত করার জন্য বিশেষ ভ্রমণ কর্মসূচি তৈরি করা হবে। সমস্ত মল এবং অন্যান্য স্থানে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ পণ্য প্রদর্শন করা হবে। দিল্লি সরকার ভারতে তৈরি পণ্যকে অগ্রাধিকার দেবে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement