ইরান যুদ্ধের প্রভাব প্রথমবার দেখা গেল জ্বালানি তেলের দামে। তেলের দাম বাড়বে না বলে সরকার আশ্বস্ত করলেও একধাক্কায় বেশ কিছুটা বাড়ল পাওয়ার পেট্রল। যাকে প্রিমিয়াম পেট্রল হিসেবে গণ্য করা হয়। জানা যাচ্ছে, এই পেট্রলের দাম লিটার পিছু ২.৩০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, এই মূল্যবৃদ্ধি শুধুমাত্র পাওয়ার পেট্রলের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সাধারণ পেট্রল, ডিজেলের কোনওরকম মূল্যবৃদ্ধি হয়নি।
ইরানের উপর আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলার পর সরকারের তরফে বারবার আশ্বস্ত করা হয়েছে, দেশে পর্যাপ্ত তেল মজুত রয়েছে। যুদ্ধের জেরে দেশে কোনও রকম জ্বালানি সংকট পড়বে না। বাড়বে না পেট্রল-ডিজেলের দামও। তবে সাধারণ জ্বালানি তেলের দাম না বাড়লেও সূত্রের খবর, ২টাকা ৩০ পয়সা বাড়ানো হয়েছে পাওয়ার পেট্রলের দাম। যুদ্ধের জেরেই এই পদক্ষেপ বলে জানা যাচ্ছে। এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব শুধুমাত্র সেই গ্রাহকদের উপর পড়বে যারা নিজেদের যানে এই প্রিমিয়াম পেট্রল ব্যবহার করেন। উল্লেখ্য, এই পেট্রল গাড়ির ইঞ্জিনকে ভালো রাখতে ও অধিক মাইলেজের জন্য ব্যবহার করা হয়।
সাধারণ জ্বালানি তেলের দাম না বাড়লেও সূত্রের খবর, ২টাকা ৩০ পয়সা বাড়ানো হয়েছে পাওয়ার পেট্রলের দাম।
তবে এই মূল্যবৃদ্ধির কোনও স্পষ্ট কারণ এখনও তেল সংস্থাগুলির তরফে জানানো হয়নি। তবে অনুমান করা হচ্ছে, ইরান যুদ্ধের জেরে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি ও লজিস্টিক খরচ বাড়ার কারণে মহার্ঘ্য পেট্রলের দাম আরও বাড়ানো হয়েছে। উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের জেরে বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহ ব্যহত হওয়ার পাশাপাশি অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যাপক বেড়েছে। ১০০ পেরিয়ে গিয়েছে তেলের দাম। যা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি করেছে।
উল্লেখ্য, ভারত নিজের অপরিশোধিত তেলের চাহিদার প্রায় ৮৮ শতাংশ বাইরে থেকে আমদানি করে। সেখানে বিশ্বব্যাপী জ্বলানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি অর্থনৈতিক চাপ বাড়িয়েছে। এর জেরে টাকার দামের উপরও ক্রমাগত চাপ বাড়ছে।
