shono
Advertisement
West Bengal Assembly Election

সোশাল মিডিয়ায় প্রার্থীদের প্রচারে কড়া কমিশন, কার ক'টা অ্যাকাউন্ট, মনোনয়নপত্রেই জানাতে হবে

ভুয়ো প্রচার, বিজ্ঞাপনের খরচ ফাঁকি রুখতে সোশাল মিডিয়ায় নজিরবিহীন নজরদারি কমিশনের।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 04:44 PM Mar 20, 2026Updated: 06:37 PM Mar 20, 2026

শান্তিপূর্ণ ভোটের (West Bengal Assembly Election) লক্ষ্যে এবার সোশাল মিডিয়ায় প্রচারে যথেষ্ট কড়াকড়ির পথে নির্বাচন কমিশন। ভুয়ো প্রচার, বিজ্ঞাপনের খরচ ফাঁকি রুখতে সোশাল মিডিয়ায় চলবে কড়া নজরদারি। এবারই প্রথম নজিরবিহীন পদক্ষেপ করছে কমিশন। জানানো হয়েছে, সোশাল মিডিয়ায় কোন প্রার্থীর ক'টি অ্যাকাউন্ট, তা মনোনয়ন পর্বেই জানাতে হবে। শুক্রবার এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এনিয়ে কমিশনের বক্তব্য, স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণের লক্ষে সোশাল মিডিয়ায় কড়া নজরদারি চলবে।

Advertisement

এবারের ভোটে ভুয়ো প্রচার, টাকার বিনিময়ে বিজ্ঞাপনের মতো কাজকর্মে লাগাম টানতে নির্বাচন কমিশন মিডিয়া সার্টিফিকেশন অ্যান্ড মনিটরিং কমিটি (এমসিএমসি) গঠন করেছে। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যে কোনওরকম বিজ্ঞাপনী প্রচারের আগে এই কমিটির অনুমোদন চাই। অন্যথায় তা নিয়মভঙ্গ বলে ধরে শাস্তি দেওয়া হবে। তবে এসবের আগেও প্রাথমিক পদক্ষেপ, প্রার্থীরা মনোনয়নের সময়েই নিজেদের সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে। সেসব যাচাই করবে কমিশন।

এবারের ভোটে (West Bengal Assembly Election) ভুয়ো প্রচার, টাকার বিনিময়ে বিজ্ঞাপনের মতো কাজকর্মে লাগাম টানতে নির্বাচন কমিশন মিডিয়া সার্টিফিকেশন অ্যান্ড মনিটরিং কমিটি (এমসিএমসি) গঠন করেছে। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যে কোনওরকম বিজ্ঞাপনী প্রচারের আগে এই কমিটির অনুমোদন চাই। অন্যথায় তা নিয়মভঙ্গ বলে ধরে শাস্তি দেওয়া হবে। তবে এসবের আগেও প্রাথমিক পদক্ষেপ, প্রার্থীরা মনোনয়নের সময়েই নিজেদের সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে। সেসব যাচাই করবে কমিশন।

আসলে প্রতিবার নির্বাচনী প্রচারে প্রার্থী পিছু নির্দিষ্ট খরচের অঙ্ক বেঁধে দেওয়া হয় কমিশনের তরফে। সেই অঙ্ক ৪০ হাজার টাকা। ভোটপ্রচারে এই অর্থ খরচ করতে পারেন একেকজন প্রার্থী। এখন সোশাল মিডিয়ায় প্রচার যেহেতু অনেকটা কম খরচের, তাই কোনও প্রার্থী তা বাঁচিয়ে প্রচারের সময়ে অন্য খাতে তা খরচ করছেন কি না, সে বিষয়ে এবার কড়া নজরদারি থাকবে কমিশনের। আর সেই কারণেই এমসিএমসি-র অনুমোদন ছাড়া বিজ্ঞাপন দেওয়া যাবে না। এর জন্য অবশ্য রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দপ্তরেই আবেদন জানানো যাবে। এর মাধ্যমে ভোট সংক্রান্ত ভুয়ো প্রচারও আটকানো সম্ভব বলে মনে করছে কমিশন। আর সেই কারণেই বলা হয়েছে, অনুমতি না নিয়ে কোথাও কোনও বিজ্ঞাপন দেওয়া হলে তাতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement