মহাত্মা গান্ধীর পুণ্যতিথিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

10:46 AM Jan 30, 2021 |
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর ৭৩তম পুণ্যতিথিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। শনিবার, মহাত্মার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পালিত হচ্ছে শহিদ দিবস।

Advertisement

[আরও পড়ুন: দেশে একদিনে করোনার কবলে ১৩ হাজার, আরও কমল অ্যাকটিভ কেস]

মহাত্মাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী মোদি লেখেন, “মহান বাপুর পুণ্যতিথিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করছি আমি। আজও তাঁর আদর্শ লক্ষ লক্ষ মানুষকে অনুপ্রেরণা দেয়। ভারতকে স্বাধীন করতে ও ভারতবাসীর উন্নতির জন্য আত্মত্যাগ করা স্বাধীনতা সংগ্রামীদের কথা শহিদ দিবসে আমরা স্মরণ করছি।” টুইট করে রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ লেখেন, “গোটা দেশের তরফে আমি জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। আজকের দিনেই দেশের জন্য শহিদ হয়েছিলেন তিনি। তাঁর দেখানো শান্তি, অহিংসা, সরলতার আদর্শী আমাদের মেনে চলা উচিত। চলুন আজ প্রতিজ্ঞা করি আমরা গান্ধীর দেখানও সত্য ও ভালবাসার পথ অনুসরণ করব।” মহাত্মার মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও। নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “জনসমর্থন না পেলেও সত্য স্বস্থানে প্রতিষ্ঠিত থাকে।”

Advertising
Advertising

উল্লেখ্য, ১৯৪৮ সালের ৩০ জানুয়ারি, নাথুরাম গোডসের (Nathuram Godse) গুলিতে নিহত হয়েছিলেন মহাত্মা গান্ধী (Mahatma Gandhi)। নয়াদিল্লির বিড়লা হাউস যা বর্তমানে গান্ধী স্মৃতি নামে পরিচিত সেখানেই হত্যা করা হয় জাতির জনককে। সেই সময় তাঁর বয়স ছিল ৭৯ বছর। জানা যায়, বিকেল ৫টা ১২ মিনিটে গুলি করা হয় গান্ধীজিকে। তার কিছুক্ষণ পরেই মৃত্যু হয় তাঁর। সেই সময় প্রার্থনাসভায় যাচ্ছিলেন গান্ধীজি। তখনই তাঁর পথ আটকান হিন্দু মহাসভার সদস্য নাথুরাম গোডসে। ৩৪ বছর বয়সী গোডসে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রে়ঞ্জ থেকে মহাত্মাকে ৩ বার গুলি করেছিলেন। হত্যার জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল বেরেট্টা এম ১৯৩৪ সেমি অটোমেটিক পিস্তল। শোনা যায়, গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর গান্ধীজিকে বিড়লা হাউজের ভিতরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

[আরও পড়ুন: ইজরায়েলী দূতাবাসের সামনে বিস্ফোরণ ট্রেলার মাত্র! সিঁদুরে মেঘ দেখছেন তদন্তকারীরা]

Advertisement
Next