কয়েকদিন আগেই পাঞ্জাবে ভরা বিয়ে বাড়িতে আপ নেতাকে গুলি করে খুন (AAP Leader Murder Case) করে দুই অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী। এবার সেই ঘটনায় রায়পুর থেকে গ্রেপ্তার দুই খুনি। পাসাপাশি গ্রেপ্তার হয়েছেন আরও পাঁচজন। পুলিশের দাবি, রায়পুর থেকে গ্রেপ্তার হওয়া এই দু'জনই খুন করে আপ পঞ্চায়েত প্রধান জরনৈল সিংকে।
পাঞ্জাব পুলিশের ডিজিপি গৌরব যাদব জানিয়েছেন, স্থানীয় পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির সঙ্গে মিলে রবিবার ছত্তিশগড়ের রায়পুর থেকে দুই শুটার, সুখরাজ সিং ওরফে গঙ্গা এবং করমজিৎ সিংকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সুখরাজ সিং তারন তারান জেলার পট্টির বাসিন্দা এবং করমজিৎ সিং-এর বাড়ি গুরুদাসপুর জেলায়।
এই দু'জনকেই রায়পুরের আদালতে পেশ করা হয়। সেখানথেকে ট্রানজিট রিমান্ড পেয়ে নিজেদের হেপাজতে নেয় পাঞ্জাব পুলিশ। ঘটনার তদন্তের জন্য দু'জনকেই পাঞ্জাবে নিয়ে আসা হচ্ছে। ডিজিপি জানান, গ্রেপ্তার হওয়া অন্য পাঁচজন অভিযুক্তকে খুনের ঘটনায় সহায়তা করা এবং ব্যবস্থা করার অভিযোগে পাঞ্জাব থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গত সপ্তাহের মঙ্গলবার, ঘটনায় মূল অভিযুক্ত গ্যাংস্টার হারনুর সিংকে এনকাউন্টারে খতম করে পুলিশ। জানা যায়, গোপন সূত্রে তরণ তারণ জেলার পুলিশের কাছে খবর আসে, ভিখিউইন্ড থানা এলাকায় হারনুর লুকিয়ে রয়েছে। এরপরই তাকে গ্রেপ্তার করতে যৌথ অভিযানে নামে পুলিশ এবং অ্যান্টি-গ্যাংস্টার টাস্ক ফোর্স। পুলিশ সূত্রে খবর, তল্লাশি চালাকালীন কোণঠাসা হয়ে পড়ে ওই হরনুর। এরপরই একটি বাইকে করে সেখান থেকে চম্পট দেয় সে। গ্যাংস্টারকে ধরতে পিছনে ধাওয়া করে পুলিশ। জানা গিয়েছে, কিছুটা যাওয়ার পর একটি সিগন্যালে দাঁড়ায় হরনুরের বাইকটি। এরপরই সে পুলিশকে লক্ষ্য করে পর পর গুলি চালায়। পালটা জবাব দেয় বাহিনীও। তাতেই গুরুতর আহত হয় হরনুর। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নিকটবর্তী একটি হাসপাতলে ভর্তি করানো হয়। পরে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
গত রবিবার, তরণ তারণ এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন ভলতোহা এলাকায় পঞ্চায়েতের প্রধান তথা আপ নেতা জরনৈল সিং। সেখানেই হামলা চালায় দুই দুষ্কৃতী। জনসমক্ষে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায় তারা। গুলিবিদ্ধ আপ নেতা লুটিয়ে পড়েন। দ্রুত তাঁকে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও বাঁচানো যায়নি।
