মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের ধাক্কা! সর্বকালের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলল ডলার পিছু টাকার দাম (Rupee Depreciation)। শুক্রবার এক মার্কিন ডলারের দাম দাঁড়িয়েছে ৯৪.৬৬ টাকা। আর এর ধাক্কায় বাজার থেকে উড়ে গেল ৭ লক্ষ কোটি টাকা। শুক্রবার সকাল ১০টা ২০ মিনিটে জানা যায়, বাজারের মূলধন রাতারাতি একলাফে এতটাই কমে গিয়েছে।
গত ৪ মার্চ প্রথমবার মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের ধাক্কায় টাকার দাম ৭০ পয়সা বেড়ে ৯২ টাকার গণ্ডি ছাপিয়ে যায়। মার্কিন ডলারের দাম দাঁড়ায় ৯২.১৭ টাকা। এবার তা সর্বকালের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলল। যুদ্ধ যদি অব্যাহত থাকে এবং অপরিশোধিত তেলের বৃদ্ধি পেতে থাকে, তবে টাকার আরও পতন হতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
গত ৪ মার্চ প্রথমবার মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের ধাক্কায় টাকার দাম ৭০ পয়সা বেড়ে ৯২ টাকার গণ্ডি ছাপিয়ে যায়। মার্কিন ডলারের দাম দাঁড়ায় ৯২.১৭ টাকা। এবার তা সর্বকালের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলল।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের মাটিতে যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা ও ইজরায়েল। কার্যত তছনছ হয়ে গিয়েছে তেহরান-সহ ইরানের একাধিক অঞ্চল। হামলায় মৃত্যু হয়েছে আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর। জবাবে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ছড়িয়ে থাকা আমেরিকার একাধিক সেনাঘাঁটি ও ইজরায়েলে হামলা চালাচ্ছে ইরান। কুয়েত, বাহরিন, ওমান, জর্ডন, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, সৌদি আরব, সিরিয়া, তুরস্কের উপর ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। যুদ্ধে ইরানে মৃতের সংখ্যা দু’হাজার ছাড়িয়েছে। রাশিয়া, চিন, স্পেন, ভারত-সহ একাধিক দেশ শান্তিপ্রস্তাব দিলেও কোনও পক্ষই যুদ্ধ থেকে সরতে রাজি নয়। আর এই পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে শেয়ার বাজারে। ৩০টি সেনসেক্স সংস্থার ৪ কোটি ২৪ লক্ষ ১৫ হাজার ৩০৪.৯৯ কোটি টাকা এখন দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৩১ লক্ষ ১ হাজার ৮৩৪.৭৪ কোটি টাকা!
আসলে গত কয়েক মাসে নানাবিধ কারণেই ক্রমেই নিম্নমুখী হয়েছে টাকা। এর পিছনে এক প্রধান কারণ ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তন। মার্কিন শেয়ার বাজার চাঙ্গা হতে শুরু করেছে। আর তারই প্রভাবে টাকার দাম পড়তে শুরু করেছে। কিন্তু যুদ্ধের বাজারে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। ক্রমে তা তৈরি করল নয়া নজির।
