Advertisement

‌এলাহি ব্যাপার!‌ নবনিমির্ত সংসদ ভবনে প্রত্যেক সাংসদ পাবেন পৃথক পৃথক কক্ষ

09:48 PM Oct 23, 2020 |

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:‌ অতি পরিচিত সংসদের ভোলবদল। হ্যাঁ, খুব শীঘ্রই তৈরি হতে চলেছে দেশের নতুন সংসদ ভবন। আগামী ডিসেম্বরেই শুরু হতে চলেছে সেই কাজ। আর শেষ হবে ২০২২ সালের অক্টোবরের মধ্যেই। শুক্রবার লোকসভা সচিবালয় (Lok Sabha Secretariat) থেকে এমনটাই জানানো হয়েছে।

Advertisement

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

কেমন হবে নতুন সংসদ ভবন?‌ সে ব্যাপারেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে সচিবালয়ের পক্ষ থেকে। জানা গিয়েছে, এই নতুন ভবন হবে বর্তমান সংসদে ভবনের (Parliament) পাশেই। তবে আর গোলাকার নয়। এবার ভবনটি তবে তিনকোনা। নতুন সংসদ ভবনে প্রত্যেক সাংসদের জন্য থাকবে আলাদা কক্ষ। এছাড়া কাগজপত্রের ব্যবহার কমাতে থাকবে একাধিক ডিজিটাল ইন্টারফেস।

[আরও পড়ুন: কাশ্মীরের আলাদা পতাকা না ফেরালে তেরঙ্গাকে সম্মান নয়! বিতর্কিত মন্তব্য মেহেবুবা মুফতির]

এছাড়া নতুন সংসদ ভবনে সাংবিধানিক হল, সাংসদদের জন্য লাউঞ্জ, লাইব্রেরি, কমিটি রুম, ডাইনিং এরিয়া এবং আলাদা করে বিশাল পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকছে। এছাড়া নতুন সংসদ ভবনে বায়ুদূষণ এবং শব্দদূষণ রোধেও বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া সাংবিধানিক হলে থাকবে ভারতের গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যের একাধিক নিদর্শন। তবে যতদিন না নতুন সংসদ ভবন তৈরি হচ্ছে, ততদিন কাজ চলবে পুরনো সংসদ ভবনেই।

নতুন সংসদ ভবনের লোকসভায় বসতে পারবেন একসঙ্গে ৮৮৮ জন সদস্য। রাজ্যসভায় বসতে পারবেন ৩৮৪ জন সদস্য। আগামিদিনে সংসদের দুই কক্ষে সদস্যসংখ্যা বাড়ানোর জন্যই এমন বন্দোবস্ত। এর আগে নতুন সংসদ ভবন তৈরির জন্য দরপত্র ডাকা হয়েছিল। নতুন সংসদ ভবন গড়ার জন্য দরপত্র দিয়েছিল লারসেন অ্যান্ড টুরবো, সাপুরজি-সহ মোট সাতটি সংস্থা। ভবন তৈরির জন্য সর্বোচ্চ খরচ ধরা হয়েছিল ৯৪০ কোটি টাকা। তবে সবচেয়ে কম টাকা দর দিয়ে বরাত জিতে নেয় টাটা গোষ্ঠী। তাঁরা খরচ করবে প্রায় ৮৬২ কোটি টাকা।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

[আরও পড়ুন: ‌মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স বাড়াবেন না, প্রধানমন্ত্রীকে আরজি মুসলিম লিগের মহিলা শাখার]

একদিকে মহামারীর মার, অন্যদিকে দেশের অর্থনীতির বেহাল দশা। এই দুই পরিস্থিতির মাঝে নয়া সংসদ ভবন তৈরি হচ্ছে, তা নিয়ে সরব হয়েছিলেন বিরোধীরা। এমনকী, নতুন ভবনের নকশা তৈরির দায়িত্ব পেয়েছিল গুজরাটের এক সংস্থা। তাও আবার প্রতিযোগিতা ছাড়াই। সেই নক্সা তৈরির কনটালটেন্সি ফি-ই ছিল ২৩০ কোটি টাকা। কীভাবে এই মূল্য নির্ধারিত হল, তা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। তবে নয়া সংসদ ভবন নিয়ে কেন্দ্রের সাফাই, বর্তমান ভবনের কাঠামোটি ব্রিটিশ আমলে তৈরি। ফলে বহুদিন রক্ষণাবেক্ষণ হয়নি, তাই এই ভবনটি অনেকটা মেরামতির প্রয়োজন। বর্তমান সংসদ ভবনটি সংস্কারের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। পুরনো ভবনটি অবশ্য অন্য কাজে ব্যবহার করা হবে। চলতি বছরের শুরুর দিকে, কেন্দ্রীয় সরকার নতুন সংসদ ভবন তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
Advertisement
Next