গুঞ্জন ক্রমশই জোরাল হচ্ছিল। হাত ছাড়ছেন শশী থারুর! কিন্তু সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে দিলেন কংগ্রেস সাংসদ। তাঁর স্পষ্ট ঘোষণা, তিনি কংগ্রেসের সঙ্গেই আছেন। এবং অন্য কোথাও যাচ্ছেন না। বরং কেরলের নির্বাচনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেবেন দলকে।
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় শুক্রবার শশীকে (Shashi Tharoor) বলতে শোনা গিয়েছে, ''আমি কংগ্রেসেই আছি। অন্য কোত্থাও যাচ্ছি না। কেরলের প্রচারের অংশ হব এবং ইউডিএফের জয়ের জন্য কাজ করব। কেরলের আগামী বিধানসভা নির্বাচনে আমি সামনে থেকে কংগ্রেসকে নেতৃত্ব দিতে চাই।''
সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে দিলেন কংগ্রেস সাংসদ। তাঁর স্পষ্ট ঘোষণা, তিনি কংগ্রেসের সঙ্গেই আছেন। এবং অন্য কোথাও যাচ্ছেন না। বরং কেরলের নির্বাচনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেবেন দলকে।
বৃহস্পতিবার শশী থারুর পার্লামেন্ট হাউসে দেখা করেছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের সঙ্গে। কেরলের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের অঙ্ক মাথায় রেখে এই সাক্ষাৎ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। অবশেষে শশীর এমন বয়ান যে কংগ্রেসকে স্বস্তি দেবে তা বলাই বাহুল্য।
প্রসঙ্গত, থারুর বহুদিন ধরেই বেসুরো। দলের একাধিক বক্তব্যের বিরোধিতা করেছেন তিনি। অপারেশন সিঁদুরের পর বিদেশে যে প্রতিনিধি দল গিয়েছিল কংগ্রেস হাই কমান্ডের আপত্তি সত্ত্বেও সেই দলের হয়ে সফর করেন তিরঅনন্তপুরমের সাংসদ। আবার ইদানিং কংগ্রেসের বৈঠকেও তিনি থাকেন না। শুধু তাই নয়, দলের বৈঠকে গরহাজির থেকে তিনি গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষণ শুনতে।
থারুর বহুদিন ধরেই বেসুরো। দলের একাধিক বক্তব্যের বিরোধিতা করেছেন তিনি। অপারেশন সিঁদুরের পর বিদেশে যে প্রতিনিধি দল গিয়েছিল কংগ্রেস হাই কমান্ডের আপত্তি সত্ত্বেও সেই দলের হয়ে সফর করেন তিরঅনন্তপুরমের সাংসদ।
এর মধ্যেই সদ্য কেরল সফরে গিয়েছিলেন রাহুল। সেখানে কেরল কংগ্রেসের সব শীর্ষ নেতাই কমবেশি গুরুত্ব পেয়েছেন। কিন্তু চারবারের সাংসদ তথা রাজ্য কংগ্রেসের জনপ্রিয় মুখ শশী কোনও কর্মসূচিতেই ডাক পাননি। তাতে থারুর অপমানিত বোধ করছেন বলে মনে করা হচ্ছিল। ফলে সব মিলিয়ে জল্পনা তৈরি হচ্ছিল, হয়তো কেরলের নির্বাচনের আগেই পদ্ম শিবিরে যোগ দেবেন শশী! কিন্তু বৃহস্পতিবাসরীয় বৈঠকের পরই জট কেটে গিয়েছে বলেই মনে করছিল ওয়াকিবহাল মহল। শুক্রবারের সাংবাদিক সম্মেলনে তা স্পষ্ট হয়ে গেল।
