shono
Advertisement
Supreme Court

নেতাজির চিতাভস্ম দেশে ফেরাবে কেন্দ্র? মোদি সরকারকে নোটিস সুপ্রিম কোর্টের

অনেকেরই বিশ্বাস, ১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট জাপানের একটি সেনাক্ষেত্রে (অধুনা তাইওয়ানের তাইহোকুতে) সামরিক মহড়া চলাকালীন বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান সুভাষচন্দ্র। তাঁর চিতাভস্ম বর্তমানে জাপানের রেনকোজির একটি বৌদ্ধ মন্দিরে রাখা রয়েছে।
Published By: Subhodeep MullickPosted: 03:46 PM Aug 11, 2026Updated: 04:15 PM Aug 11, 2026

সুভাষচন্দ্র বসুর চিতাভস্ম ভারতে ফিরিয়ে আনার দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে আর্জি জানিয়েছেন নেতাজিকন্যা অনিতা বসু পাফ। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে এবার কেন্দ্রের মতামত জানতে চাইল শীর্ষ আদালত। শুধু তাই নয়, মোদি সরকারকে নোটিসও পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

Advertisement

মঙ্গলবার অনিতার পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে প্রবীণ আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি আদালতে দাবি করেন, রেনকোজি মন্দিরে সংরক্ষিত নেতাজির চিতাভস্ম দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ভারত সরকার দীর্ঘদিন গড়িমসি করছে। এখনও চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেনি। সেই কারণেই তাঁরা ব্যর্থতার কারণেই তাঁরা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। অনিতা তাঁর আবেদনে জানিয়েছেন, রেনকোজি মন্দিরে ১৯৪৫ সাল থেকে নেতাজির চিতাভস্ম সংরক্ষিত রয়েছে। তা অবিলম্বে ভারতে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হোক। যাতে মর্যাদাপূর্ণভাবে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন করা যায়। এরপরই গোটা বিষয়ে মোদি সরকারের বক্তব্য জানতে চেয়ে নোটিস পাঠিয়েছে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।

অনেকেরই বিশ্বাস, ১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট জাপানের একটি সেনাক্ষেত্রে (অধুনা তাইওয়ানের তাইহোকুতে) সামরিক মহড়া চলাকালীন বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান সুভাষচন্দ্র। তাঁর চিতাভস্ম বর্তমানে জাপানের রেনকোজির একটি বৌদ্ধ মন্দিরে রাখা রয়েছে। অনিতা আগেই বলেছেন, ‘‘দীর্ঘদিন নেতাজির পরিবারের অনেকেরও বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু নিয়ে ধন্দ ছিল। কিন্তু এখন ওই দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যু নিয়ে বেশিরভাগ নথি এবং অন্তত ১১টি তদন্ত রিপোর্ট হাতে এসেছে। তাই তাইপেইয়ের বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যু মেনে নেওয়াই উচিত।’’ ওই চিতাভস্ম যে সুভাষেরই, তা প্রমাণে ডিএনএ নমুনা দিয়ে সাহায্য করতে তাঁর অঙ্গীকারের কথাও বলেছিলেন অনিতা।

কিন্তু সমস্যা অন্য জায়গায়। নেতাজি পরিবারের অন্য সদস্যর এবং নেতাজি গবেষকদের একাংশ ওই তাইহোকু বিমানবন্দরে নেতাজির মৃত্যুর তত্ত্ব মানে না। বিভিন্ন সময় নেতাজির পরিবারের সদস্যরা সরকারকে চিঠি দিয়ে বিমান দুর্ঘটনার তত্ত্ব উড়িয়ে চিঠিও দিয়েছেন। অতীতে যতবারই নেতাজির চিতাভস্ম দেশে ফেরানোর কথা হয়েছে, প্রতিবারই পরিবারের সদস্যরা তাঁর বিরোধিতা করেছেন। সম্প্রতি নেতাজি গবেষক অনুজ ধর সমাজমাধ্যমে দাবি করেছেন, নেতাজির অন্য কোনও সহোদর ওই বিমান দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যুর তত্ত্ব স্বীকার করেননি। আটের দশকে ইন্দিরা গান্ধী যখন নেতাজির চিতাভস্ম ফেরানোর উদ্যোগ নিচ্ছিলেন তখনও নেতাজির সবচেয়ে ছোট ভাই শৈলেশ বসু ইন্দিরাকে চিঠি লিখে তার বিরোধিতা করেছিলেন। সেই চিঠিও সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন অনুজ। বস্তুত, অনুজের মতো নেতাজি গবেষকরা ওই চিতাভস্মকে নেতাজির বলে মানতে রাজি নন।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement
toolbarHome ই পেপার toolbarup মহানগর toolbarvideo শোনো toolbarshorts রোববার