পণপ্রথার বিষ সমাজের কোন স্তরে ছড়িয়ে রয়েছে! এর জেরে স্বামীর হাতে খুন হলেন দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যাল ওয়েপন্স অ্যান্ড ট্যাকটিস (সোয়াট)-এর মহিলা কমান্ডো কাজল চৌধরি। অভিযোগ, তাঁকে ডাম্বেল দিয়ে মাথায় আঘাত করে, দেওয়ালে মাথা ঠুকে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে কাজলের স্বামী অঙ্কুর চৌধরিকে।
পুলিশ জানিয়েছে, স্ত্রীকে হত্যায় অভিযুক্ত অঙ্কুর প্রতিরক্ষা মন্ত্রকে কাজ করেন। দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লির দ্বারকা মোড়ে থাকতেন দম্পতি। ২০২৩ সালে বিয়ে হয় কাজল-অঙ্কুরের। তাঁদের দেড় বছরের এক সন্তানও রয়েছে। নতুন করে অন্তঃসত্ত্বা হন কাজল। চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেই তাঁকে হত্যার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে। নেপথ্যে আর্থিক বিষয়ে অশান্তি। কাজলের ভাই দিল্লি পুলিশের কনস্টেবল নিখিলের দাবি, পণের জন্য অঙ্কুরের পাশাপাশি দিদির শাশুড়ি এবং ননদেরা পণের জন্য নানা ভাবে হেনস্থা করতেন। শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন করা হত।
গত ২২ জানুয়ারি অঙ্কুর-কাজলের অশান্তি চরমে পৌঁছায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২২ জানুয়ারি অঙ্কুর-কাজলের অশান্তি চরমে পৌঁছায়। সেই সময় প্রথমে কাজলের মাথায় ডাম্বেল দিয়ে আঘাত করেন অঙ্কুর। এর পর দেওয়ালে মাথা ঠুকে দেন স্ত্রীর। নিখিলের দাবি, অঙ্কুর নিজেই কাজলকে মারধর করেছেন বলে জানান। এর পর বাপের বাড়ির লোকেরাই তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। মঙ্গলবার সেখানেই মৃত্যু হয়েছে দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যাল ওয়েপন্স অ্যান্ড ট্যাকটিস (সোয়াট)-এর মহিলা কমান্ডো। গ্রেপ্তার করা হয়েছে অভিযুক্ত অঙ্কুর চৌধুরীকে।
