বিদ্যালয় থেকে উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তথ্য স্থানান্তর আরও সহজ, আরও মসৃণ করে তোলা। অ্যাকাডেমিক রেকর্ডস যেমন মার্কশিট, যাবতীয় শংসাপত্র সংক্রান্ত জরুরি তথ্য সুরক্ষিত রাখা। এবং সর্বোপরি স্বচ্ছতা বজায় রেখে এই সমস্ত তথ্যের ডিজিটাল রেকর্ড তৈরি।
অটোমেটেড পার্মানেন্ট অ্যাকাডেমিক অ্যাকাউন্ট রেজিস্ট্রি (APAAR), অ্যাকাডেমিক ব্যাঙ্ক অফ ক্রেডিটস (ABC) এবং ন্যাশনাল অ্যাকাডেমিক ডিপোজিটরি (NAD)-এর দৌলতে এখন এই সবই সম্ভব। দেশের ডিজিটাল ইন্ডিয়া কর্মসূচি সম্প্রতি (বুধবার) ১১ বছর সম্পূর্ণ করল, শিক্ষাক্ষেত্রেও যার প্রভাব অপরিহার্য। আর সেই সূত্রেই আরও বেশি করে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে APAAR, ABC এবং NAD। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ (এনইপি)-এর সঙ্গে সাযুজ্য রেখেই যে পদক্ষেপগুলি গৃহীত হয়েছে।
প্রথমেই চর্চায় যেটি, সেটি হল অটোমেটেড পার্মানেন্ট অ্যাকাডেমিক অ্যাকাউন্ট রেজিস্ট্রি। প্রতিটি শিক্ষার্থী যেমন আলাদা, তার ডিজিটাল আইডেন্টিটি তথা ডিজিটাল পরিচয়টিও স্বতন্ত্র। আদপে APAAR হল একটি ১২ সংখ্যার ডিজিটাল আইডি, যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীর সারা জীবনের শিক্ষাগত তথ্য, মার্কশিট, সার্টিফিকেট সংক্রান্ত তথ্য সুরক্ষিত থাকে। এটির লক্ষ্য-'ওয়ান নেশন, ওয়ান স্টুডেন্ট আইডি'। দেশের প্রতিটি কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াকে এর আওতায় অ্যাকাডেমিক ব্যাঙ্ক অফ ক্রেডিটস (ABC)-এ নথিবদ্ধ হতে হবে। ঠিক এখানেই অ্যাকাডেমিক ব্যাঙ্ক অফ ক্রেডিটস-এর বিশেষত্ব। এটি শিক্ষার্থীদের জন্য এক ধরনের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, অনেকটা ব্যাঙ্কের মতো, যেখানে তাঁদের সমস্ত শিক্ষাগত যোগ্যতার দলিল জমা থাকে এবং প্রয়োজনে এখান থেকে তথ্য স্থানান্তর করাও সম্ভব।
নতুন কলেজে ভর্তি হতে গেলে শিক্ষার্থীরা ABC-র মাধ্যমেই শিক্ষাগত তথ্য স্থানান্তর করতে পারবে সহজেই। কাগুজে দলিলের প্রয়োজন হবে না। প্রসঙ্গত, ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশন তথা ইউজিসি হল অ্যাকাডেমিক ব্যাঙ্ক অফ ক্রেডিটসের নিয়ামক সংস্থা। আর ন্যাশনাল অ্যাকাডেমিক ডিপোজিটরি হল ২৪x৭অনলাইন রিপোজিটরি। তথ্য যাচাইয়ের ক্ষেত্রে এটির গুরুত্ব অসীম।
