বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য ত্রিপুরার সুস্বাদু আনারস পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। প্রতি বছরই নিয়ম করে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহার তরফে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রীকে সৌজন্যের উপহার হিসেবে মৌসুমী ফল পাঠানো হয়। মাঝখানে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ব্যতিক্রম হয়েছিল। এবার ফের সুস্বাদু আনারস পাঠানো হয়েছে। বুধবার আগরতলার পার্শ্ববর্তী আখাউড়া ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে পাঠানো উপহারগুলো সে দেশে যায়।
সে সময় আখাউড়া সীমান্তে ত্রিপুরা সরকারের তরফে উপস্থিত ছিলেন কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের সচিব অপূর্ব রায়, ডিরেক্টর ড. ফণিভূষণ জমাতিয়া, কনসালটেন্ট ড. রাজীব ঘোষ, শান্তনু দেববর্মা, ল্যান্ড পোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার ত্রিপুরার আধিকারিক দেবাশিস মজুমদার-সহ অন্যান্য আধিকারিকরা।
এদিন ল্যান্ডপোর্টে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের কাজ শেষ করার পর সীমান্তের জিরো পয়েন্টে রাজ্য সরকারের সচিব অপূর্ব রায়-সহ উপস্থিত আধিকারিকরা চট্টগ্রামের অ্যাসিস্ট্যান্ট কনসাল অফিসার পঙ্কজজ্যোতি দাসের হাতে আনারসের প্যাকেট তুলে দেন। তারপর ত্রিপুরা সীমান্তে থাকা গাড়ি থেকে আনারসের প্যাকেট গুলি বাংলাদেশের গাড়িতে তুলে দেওয়া হয়। এ বিষয়ে ত্রিপুরা সরকারের কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের সচিব অপূর্ব রায় বলেন, কিছুদিন আগে বাংলাদেশ থেকে উপহার হিসেবে আম এসেছিল। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর তরফে এরই প্রেক্ষিতে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর তরফে উপহার হিসেবে আনারস পাঠানো হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে দু'দেশে সম্পর্ক আরও প্রীতিপূর্ণ ও মধুর হবে। বস্তুত, বাংলাদেশ সীমান্তে আম বিনিময়ের রীতি পুরনো। তবে মাঝে সেই সম্পর্কে ছেদ পড়েছিল। আবার সেটা শুরু করল ত্রিপুরা সরকার।
পাশাপাশি, ডিরেক্টর ড. ফণিভূষণ জমাতিয়া জানান, ত্রিপুরার সুস্বাদু কিউ জাতের আনারস পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন এদিন মোট ১০০প্যাকেট আনারস পাঠানো হয়েছে। প্রতিটি প্যাকেটে ৬টি করে মোট ৬০০পিস আনারস উপহার হিসেবে পাঠানো হয়েছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে।
