যে রক্ষক সেই ভক্ষক। ১০ বছরের বালিকাকে ধর্ষণ ও খুনে অভিযুক্ত উত্তরপ্রদেশের এক কনস্টেবল। বৃহস্পতিবার দুপুরে অসুস্থ দিদির সঙ্গে দেখা করতে হাসপাতালে গিয়েছিল ওই নাবালিকা। সেখান থেকে তাকে অপহরণ করে ধর্ষণ-খুনে করেন পুলিশকর্মী! গ্রেপ্তার করা হয়েছে অভিযুক্তকে।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ২৮ জুলাই সরকারি জেলা হাসপাতালে ভর্তি দিদিকে খাবার দিতে গিয়েছিল নাবালিকা। ফেরার সময় অভিযুক্ত কনেস্টবল অভিষেক যাদবের ফাঁদে পড়ে সে। যিনি পুলিশের আপাতকালীন ১১২ নম্বরেরই কর্মী। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, হাসপাতালের বাইরে বালিকার সঙ্গে কথা বলছেন ইউনিফর্মে পরা অভিষেক। এরপর নিজের মোটরবাইকে দশ বছরের শিশুকন্যাকে তুলে নেন তিনি।
পুলিশ জানিয়েছে, বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার নাম করে বালিকাকে অপহরণ করেন অভিযুক্ত। এরপর হাসপাতাল থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে নির্জন শ্মশানমাঠে ধর্ষণ করে হত্যা করেন তাকে। বৃহস্পতিবার শ্মশানের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নদী থেকে উদ্ধার হয় বালিকার দেহ। এসএসপি কৌস্তুভ জানান, ২০০ সিসিটিভ ফুটেজ খতিয়ে দেখা হয়েছে। ২০১৮-র ব্যাচের কনেস্টবল দোষ স্বীকার করেছেন। তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়াও ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট (এনএসএ)-এর আওতায় তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অতীতে এক মহিলার শ্লীলহানির মামলায় বরখাস্ত এবং জেল হয়েছিল অভিষেক যাদবের।
