shono
Advertisement
Thalapathi Vijay

খরিফ ফসলের মরশুমে সারে ঘাটতি, তামিলনাড়ুর খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত বিজয়, চিঠি লিখলেন মোদিকে

চিঠিতে বিজয় লিখেছেন, এপ্রিল ও মে মাসে সার সরবরাহে গুরুতর ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অবিলম্বে এই ঘাটতি পূরণ করতে এবং ভবিষ্যতের বরাদ্দ নিশ্চিত করতে অনুরোধ করছি।
Published By: Kishore GhoshPosted: 03:00 PM May 20, 2026Updated: 04:10 PM May 20, 2026

খরিফ ফসল বা বর্ষাকালীন শস্যের মরশুমে তামিলনাড়ুতে সারের সংকট তৈরি হচ্ছে। এর ফলে খাদ্য নিরাপত্তা ব্যহত হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে নিরবচ্ছিন্ন সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখে সাহায্য চাইলেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয় (Thalapathi Vijay)।

Advertisement

চিঠিতে বিজয় লিখেছেন, এপ্রিল ও মে মাসে সার সরবরাহে গুরুতর ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অবিলম্বে এই ঘাটতি পূরণ করতে এবং ভবিষ্যতের বরাদ্দ নিশ্চিত করতে অনুরোধ করেছি। তিনি বিশেষভাবে ইউরিয়া, ডাইঅ্যামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি) এবং মিউরেট অফ পটাশ (এমওপি)-এর সরবরাহের কথা বলেছেন, যেগুলি খরিফ ফসলের মরশুমে বীজ বপনের জন্য অপরিহার্য। বিজয় লিখেছেন, "দয়া করে ২০২৬ সালের বাকি খরিফ মরশুমের চাহিদা মেটাতে প্রয়োজনীয় পরিমাণ, অর্থাৎ ৩.৮৩ লক্ষ মেট্রিক টন (এমটি) ইউরিয়া, ১.০৫ লক্ষ এমটি ডিএপি এবং ০.৮৩ লক্ষ এমটি এমওপি সরবরাহ করার নির্দেশ দিন।"

অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া বিজয় বলেছেন, ১০ মে তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর রাজ্যের কৃষক কল্যাণ বিভাগের সঙ্গে পর্যালোচনা বৈঠক করেন। তখনই স্পষ্ট হয় সার উৎপাদকরা এপ্রিল ও মে মাসের চাহিদা পূরণ করতে পারেননি। নেপথ্যে কাঁচামালের অভাব। চিঠিতে উল্লিখিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তামিলনাড়ু নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে ৩৯,০০১ মেট্রিক টন কম ইউরিয়া পেয়েছে। পাশাপাশি ২৮,৬০৭ মেট্রিক টন ডিএপি ও ২৪,২৩৫ মেট্রিক টন এমওপি-রও ঘাটতি রয়েছে। মোদিকে লেখা চিঠিতে বিজয় জানিয়েছেন, অবিলম্বে কেন্দ্রের তরফে সরবরাহ স্বাভাবিক না করলে গোটা রাজ্যের চাষাবাদে প্রভাব পড়বে। এর জেরে তামিলানড়ুতে খাদ্যসংকট তৈরি হতে পারে।

প্রসঙ্গত, ইরান যুদ্ধের জেরে হরমুজ অবরুদ্ধ হওয়ার ফলে জ্বালানির মতোই সার আমদানি ব্যাপক ভাবে ব্যহত হয়েছে। সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী এবং ওমান-সহ উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে সার ভারতে আসে। এই পরিবহনের প্রধান পথ হরমুজ প্রণালী। যুদ্ধের ফলে তা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় চাহিদা অনুযায়ী ইউরিয়া এবং ডিএপি দেশে আসছে না। এর ফলে বাজারে সারের দাম ঊর্ধ্বমুখী। এর জেরেই সংকটে পড়েছে তামিলনাড়ু। কৃষিপ্রধান অন্য রাজ্যগুলিও একই ধরনের বিপদ পড়বে বলাই আশঙ্কা। এই অবস্থায় কীভাবে সংকট মোকাবিলা করবে কেন্দ্র, সেটা এখন দেখার। 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement