রবিবারই বাংলা-সহ ৫ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা। বিকেল ৪টে নাগাদ দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে সাংবাদিক বৈঠক ডাকল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। থাকবে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। সেই বৈঠক থেকেই রাজ্যগুলির ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হবে। বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এই কথা জানিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।
পশ্চিমবঙ্গ, অসম, তামিলনাড়ু, কেরল ও পুদুচেরি এই পাঁচ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। রবিবার এই রাজ্যগুলির ভোটের নির্ঘণ্ট জানা যাবে। এখন লাখ টাকার প্রশ্ন, বাংলায় কত দফায় ভোট হবে? কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, বঙ্গে দুই থেকে তিন দফায় ভোট ঘোষণা করতে পারে জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বাধীন জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সেক্ষেত্রে আগামী এপ্রিল মাসের ১৫ তারিখের পর প্রথম দফার ভোট হতে পারে বাংলায়। উল্লেখ্য, রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) তরফ থেকে জাতীয় কমিশনকে জানানো হয়েছিল, তারা এক দফায় ভোট করাতে প্রস্তুত। কিন্তু তা নিয়ে অনেক সংশয় রয়েছে। তবে ১ দফায় ভোট না হলেও দফা কমতে চলছে বলেই খবর। সূত্রের খবর, এপ্রিলে তিন দফায় ভোট হতে পারে এরাজ্যে।
জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দেওয়া বিজ্ঞপ্তি।
গত ৮ মার্চ রাজ্যে এসেছিল নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠকের পর রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন জ্ঞানেশ কুমাররা। আইনশৃঙ্খলা-সহ একাধিক বিষয়ে বৈঠক হয়। দু'দিনের মেগা বৈঠকের পর দিল্লি ফিরে যান কমিশনের কর্তারা। তখনই জানা যায়, ১৫ মার্চের পর ভোট ঘোষণা করতে পারে নির্বাচন কমিশন। রবিবার বিকেলেই যাবতীয় জল্পনার অবসান হতে চলেছে।
ভোট ঘোষণার চর্চার মাঝে বাংলার ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় 'বিচারাধীন' থাকা ভোটারদের নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। ৬০ লক্ষ 'বিচারাধীনে'র মধ্যে এখনও পর্যন্ত ১৫ লক্ষের নিষ্পত্তি হলেও ঝুলে রয়েছে বাকিদের ভাগ্য। তবে কোনও সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা এখনও প্রকাশ হয়নি। কবে হবে তাও স্পষ্ট নয়। ভোট শুরু হওয়ায় আগে কি বিষয়টির নিষ্পত্তি হবে? না হলে, ওই ভোটারদের কী হবে? এই সমস্ত প্রশ্নগুলি সঙ্গে নিয়েই রবিবার ভোট ঘোষণা করতে চলেছে জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বাধীন জাতীয় নির্বাচন কমিশন।
