shono
Advertisement
Iran Israel Conflict

ইরান যুদ্ধে মহাসঙ্কটে ভারত! থমকে যেতে পারে গোটা দেশ, ট্রাম্পের চালেই বিপাকে নয়াদিল্লি?

যুদ্ধ চলছে ইরানে। কিন্তু তার জেরে থমকে যেতে পারে ভারতের সমস্ত কিছু! রান্না থেকে শুরু করে যানবাহন-সমস্ত কিছুই একেবারে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। কার্যত অচল হয়ে পড়বে গোটা দেশ।
Published By: Anwesha AdhikaryPosted: 12:47 PM Mar 02, 2026Updated: 02:45 PM Mar 02, 2026

যুদ্ধ (War) চলছে ইরানে (Iran)। কিন্তু তার জেরে থমকে যেতে পারে ভারতের সমস্ত কিছু! রান্না থেকে শুরু করে যানবাহন-সমস্ত কিছুই একেবারে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। যুদ্ধের মধ্যে এই নিয়ে মাথাব্যথা বাড়তে পারে ভারতের। কারণ ভারত যে পথে তেল আমদানি করে, সেই পথটাই যুদ্ধের জেরে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। যদি বিদেশ থেকে তেল ভারতে এসে না পৌঁছয় এবং ভারতে সঞ্চিত তেলের ভাণ্ডার শেষ হয়ে যায়, তাহলে কার্যত অচল হয়ে পড়বে গোটা দেশ।এমে

Advertisement

আমেরিকা-ইজরায়েলের (Israel) আক্রমণে সর্বোচ্চ শাসক আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে অগ্নিবর্ষণ করছে ইরান। তার মধ্যে অন্যতম বিশ্বের তৈল বাণিজ্যের প্রধান রুট হরমুজ প্রণালীও। বিশ্ব বাজারে মোট অশোধিত তেলের ২০-২২ শতাংশ চলাচল করে হরমুজের পথ দিয়ে। যুদ্ধের জেরে ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর মধ্যে অবস্থিত এই জলপথ দিয়ে বাণিজ্য বন্ধ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সবচেয়ে আশঙ্কার বিষয়, ভারতের আমদানির প্রায় ৫০ শতাংশ তেল আসে এই হরমুজ প্রণালী দিয়েই। অর্থাৎ এই পথ বন্ধ হয়ে গেলে ভারতে তেল আসাও কার্যত বন্ধ হয়ে যাবে।

নানা ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এই তেল। পেট্রল, ডিজেল, কেরোসিনের মতো জ্বালানি প্রস্তুত হয় অশোধিত তেল প্রক্রিয়াকরণের পর। মূলত যানবাহনে এই জ্বালানি ব্যবহৃত হয়। এলপিজি গ্যাসও এই তেল থেকেই প্রস্তুত হয়, যা রান্নার কাজে লাগে। এছাড়াও শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত তেল, ন্যাপথা, অ্যাসফল্ট তৈরিতেও আমদানি করা তেল কাজে লাগে। অর্থাৎ দেশের দৈনন্দিন কাজের সঙ্গে বিদেশি তেল আমদানির বিষয়টি ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে।

আমদানি বন্ধ হয়ে গেলে তেলের অভাব কীভাবে সামলাবে ভারত? মাসখানেক আগে মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী জানিয়েছিলেন, সর্বোচ্চ ৭৪ দিনের জন্য তেল মজুত রাখার ক্ষমতা রয়েছে ভারতীয় শোধনাগারগুলির। সেই সময়সীমা পেরনোর পরেও যদি অস্থিরতা না কমে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হয় তাহলে বিপাকে পড়তে পারে ভারত। যদিও পুরীর মতে, ৭৪ দিনের জন্য মজুত থাকা তেল যথেষ্ট। চিন্তার কোনও কারণ নেই। বিশ্লেষকদের মনে অন্য এক আশঙ্কাও উঁকি দিচ্ছে, সেটা তেলের দাম নিয়ে। যুদ্ধের জেরে ইতিমধ্যেই চড়চড়িয়ে তেলের দাম বাড়ছে। অতিরিক্ত দাম এড়াতে ভারত আবারও রুশ তেল কেনার পরিমাণ বাড়াতে পারে বলে মত অনেকেরই।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement