ইনস্টাগ্রামে পরিচয়। মহারাষ্ট্র থেকে ভোপালে প্রেমিকের কাছে এসেছিলেন যুবতী। জানতে পারেন যুবক বিবাহিত। বাড়ি ফিরতে চাননি তিনি। শুরু হয় ঝামেলা। তাতেই যুবতীকে খুন করে লোহার বাক্সের মধ্যে ভরে সেপটিক ট্যাঙ্কে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠল প্রেমিকের বিরুদ্ধে।
হাড়হিম কাণ্ডটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের ভোপালে। বৃহস্পতিবার বাচ্চারা খেলতে খেলতে পচাগন্ধ পায়। তারা বড়দের জানায়। প্রথমে সবাই ভাবে কোনও বিড়াল বা কুকুর পড়ে মারা গিয়েছে। কিন্তু সন্দেহ হতেই ফাকা জমির সেপটিক ট্যাঙ্কে উকি মারে স্থানীয়রা। তাতেই চক্ষু চড়কগাছ! উদ্ধার করা হয় একটি লোহার বক্স। তার মধ্যে পাওয়া যায়, যুবতীর পচাগলা দেহ। তদন্ত শুরু করে পুলিশ।
তখনই উঠে আসে হাড়হিম করা তথ্য। জানা যায়, যুবতীর নাম আশরাফি ওরফে সিয়া। তিনি মহারাষ্ট্রের গোন্দিয়ার বাসিন্দা। ভোপালের সমীর নামে এক যুবকের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সিয়া চলে আসেন সমীরের বাড়িতে। তখন জানতে পারেন তাঁর প্রেমিক বিবাহিত। দুই বাচ্চার বাবা। কিন্তু সিয়া আর মহারাষ্ট্রে ফিরেননি। সমীরের বাড়ি এলাকায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকছিলেন।
এই সময়কালে সিয়ার সঙ্গে ঝামেলা হয় সমীরের স্ত্রীরও। তিনি বাপের বাড়ি চলে যান। এরপরই সমীরের বাড়িতে আসেন সিয়া। সেখানে তাঁদের বচসা বাধে। অভিযোগ, সেই সময় পরিবাররে সাহায্যে সিয়াকে খুন করেন সমীর। দেহ লোপাটের জন্য লোহার বাক্সে ভরে তা ফেলে দেওয়া হয় ওই পাশের ফাঁকা জমির সেপটিক ট্যাঙ্কে। তারপর দেহ উদ্ধার। ঘটনা সামনে আসার পর আটক করা হয়েছে অভিযুক্তের মা ভাই ও বোনকে। সমীর পলাতক। তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। অন্যদিকে সিয়ার দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে।
