অর্ণব আইচ ও নিরুফা খাতুন: ‘রোমিও’ বাইকারদের দৌরাত্ম্য রুখতে বর্ষবরণের রাতে একেবারে কোমর বেঁধে ময়দানে নামে পুলিশ। রাজ্যের সমস্ত জায়গাতেই পুলিশের তরফে নাকা চেকিং করা হয়। শুধু তাই নয়, যে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সতর্ক ছিল লালবাজার। পার্কস্ট্রিট-সহ শহরের সমস্ত জায়গাতে মোতায়েন ছিল পুলিশ। এরমধ্যেও বর্ষশেষের রাতে বিশৃঙ্খলা, বেল্লালাপনার অভিযোগে মোট ২৬৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, ট্রাফিক লঙ্ঘন করায় পুলিশের হাতে ধরা পড়েছেন ১৩০১ জন।
দিল্লি বিস্ফোরণের পর থেকেই কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে শহর। বড়দিন এবং বর্ষবরণের কথা মাথায় রেখে নিরাপত্তা আরও আঁটসাঁট করা হয়। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সমস্ত জায়গাতে অতিরিক্ত পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়। বিশেষ করে বর্ষবরণের রাতে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নাকাচেকিংয়ের পাশাপাশি ভিড়ের মধ্যেই সাদা পোশাকের পুলিশ। সেই সময় বিশৃঙ্খলা, বেল্লালাপনার অভিযোগে মোট ২৬৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ সূত্রে খবর। পাশাপাশি হেলমেট ছাড়া বাইক চালানোর অপরাধে ৪৮০ জনকে ধরা হয়। তিনজনকে নিয়ে চালানোর অপরাধে ধরা হয় ২৩৫ জনকে। মদ্যপ অবস্থায় বাইক গাড়ি চালানোর অপরাধে ধরা হয়েছে ১৪৯ জন। এছাড়াও ট্রাফিক লঙ্ঘন না মানার জন্য আরও বেশ কয়েকজনকে ধরা হয়। সব মিলিয়ে মোট ১৩০১ জনকে ধরা হয়েছে বলে কলকাতা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
আজ নতুন বছরের প্রথমদিনেও রাজ্যজুড়ে কড়া নিরাপত্তা জারি রয়েছে। সকাল থেকেই সমস্ত পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে সাধারণ মানুষের ভিড়। সে কথা মাথায় রেখেই প্রত্যেকটি জায়গাতেই পুলিশের তরফে অতিরিক্ত বাহিনীকে মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি নাকাচেকিংও চালানো হচ্ছে।
