মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বন্ধ রয়েছে বিমানপথ। একাধিক বিমান বাতিল হচ্ছে। কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শুক্রবারও একাধিক বিমান বাতিল হল। পরিষেবা কবে নাগাদ স্বাভাবিক হবে? সেই বিষয়ে চূড়ান্ত অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলে বিমানবন্দর সূত্রেই খবর। কলকাতা থেকে পশ্চিম এশিয়া ও পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে কলকাতা যাতায়াতের মোট সাতটি আন্তর্জাতিক বিমান বাতিল হয়েছে।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন কলকাতা থেকে দুবাই, দোহা ও আবু ধাবি যাওয়ার চারটি আন্তর্জাতিক বিমান বাতিল হয়েছে। শুধু তাই নয়, দুবাই, দোহা ও আবু ধাবি থেকে কলকাতায় আসার জন্য তিনটি বিমানও বাতিল। সাধারণত, ইউরোপ ও এশিয়ার একাধিক দেশে যাওয়ার জন্য দুবাই বিমানবন্দরের পথ বাছাই করা হয়। আমেরিকা-ইজরায়েল-ইরানের যুদ্ধের প্রভাব দুবাইতেও পড়েছে। বিমানপথ বন্ধ রয়েছে। ফলে কলকাতা বিমানবন্দরেও সেই প্রভাব পড়েছে। একাধিক বিমান বাতিল হচ্ছে ওই পথে।
এভাবে বিমান পরিষেবা বাতিল হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন যাত্রীরা। কবে তাঁরা ফিরবেন, সেই আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। বিমান সংস্থাগুলির তরফে বার্তা দেওয়া হয়েছে। বিমান যাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে বিমান চলাচলের আপডেটগুলি নজর রাখতে হবে। বিমান যাতায়াতের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের থেকে দেরিও হতে পারে। পরিষেবা বাতিল হওয়ার আশঙ্কাও থাকছে আগামী দিনে। এদিন বাতিল হওয়া উড়ানগুলির মধ্যে আছে এয়ার অ্যারাবিয়ার, এতিহাদ এয়ারলাইন্স, কাতার এয়ারওয়েজ, এমিরেটস সংস্থাগুলির বিমান। প্রসঙ্গত, কলকাতা বিমানবন্দর থেকে দুবাইয়ের উদ্দেশে ২৮ ফেব্রুয়ারি শেষ বিমান উড়েছিল।
ফেব্রুয়ারি মাসের শেষদিক থেকে ইরান-আমেরিকা-ইজরায়েলের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়েছে। পশ্চিম এশিয়াজুড়ে ক্রমশ বাড়ছে সামরিক উত্তেজনা। আকাশপথে দ্রোণ হামলাও চলছে। নিরাপত্তার স্বার্থে আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। তবে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকে দুবাইয়ে বিমান চলাচল শুরু হয়। আজ থেকে দোহা, আবু ধাবিতেও আংশিক বিমান পরিষেবা চালু হয়েছে বলে খবর।
