ছেলে ভর্তি আর জি কর হাসপাতালে। স্ত্রী ও আরেক সন্তানকে নিয়ে দেখতে এসেছিলেন তাকে। ঠিক সেই সময়ই অঘটন। হাসপাতালের লিফটে আটকে মৃত্যু ব্যক্তির। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দুর্ঘটনার সময় কোথায় ছিলেন লিফট অপারেটর, স্বাভাবিকভাবে তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
আর জি কর হাসপাতালে রোগীর পরিবারের বিক্ষোভ। ছবি: সুখময় সেন
কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই দুর্ঘটনার সময় লিফট অপারেটরই বা কোথায় ছিলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অন্য রোগীর পরিবারের লোকজন ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।
মৃত ব্যক্তি অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দমদমের বাসিন্দা। জানা গিয়েছে, তাঁর এক ছেলে আর জি কর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। স্ত্রী এবং ছোট ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালের পাঁচতলার ট্রমা কেয়ার সেন্টারে যাচ্ছিলেন। কোনও কারণে তীব্র ঝাঁকুনি দিয়ে লিফট আটকে যায়। উপরে ওঠার পরিবর্তে নিচে নেমে আসে লিফট। এভাবেই বেশ কিছুক্ষণ কেটে যায়। তারপর লিফট খুলে তিনজনকে বের করা হয়। ততক্ষণে অবশ্য অচেতন হয়ে পড়েন ওই ব্যক্তি। পরে চিকিৎসকরা জানান, অরূপের মৃত্যু হয়েছে। তবে তাঁর স্ত্রী ও সন্তান সুস্থই রয়েছেন।
এই ঘটনার খবর পেয়ে টালা থানার বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরাও হাসপাতাল চত্বরে জড়ো হন। পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণাধীন। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ওই ব্যক্তির পরিবারের তরফে কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় উঠছে নানা প্রশ্ন। কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই দুর্ঘটনার সময় লিফট অপারেটরই বা কোথায় ছিলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অন্য রোগীর পরিবারের লোকজন ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, কোনও সময়ই লিফট অপারেটর থাকেন না। ফলে রোগীর পরিবারের সদস্যরা কার্যত প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে হাসপাতালের লিফট ব্যবহার করেন। বলে রাখা ভালো, এর আগে ২০২৪ সালে আর জি কর হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যুতে তোলপাড় হয় গোটা রাজ্য। ওই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের শিরোনামে কলকাতার প্রথম সারির সরকারি হাসপাতাল।
