shono
Advertisement
Amit Shah

হাওড়ায় দই কারখানার ভিতস্থাপনে আসছেন শাহ, এবার উত্তরবঙ্গেও বিনিয়োগ করবে আমুল

রাজ্যে পালাবদলের পরেই শিল্পের আশা জাগিয়ে ১০০ দিনের মধ্যে ম্যাজিক দেখানোর বার্তা দিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।
Published By: Kousik SinhaPosted: 01:56 PM Jun 09, 2026Updated: 04:00 PM Jun 09, 2026

পরিবর্তনের বাংলায় শিল্পক্ষেত্রে জোয়ার। হাওড়ার সাঁকরাইলে বড়সড় বিনিয়োগ করছে গুজরাটের সংস্থা আমুল। তৈরি হবে দেশের অন্যতম বৃহৎ দুই উৎপাদন কেন্দ্র। আগামী সপ্তাহেই আমুলের নয়া কারখানার ভিত্তিপ্রস্তর হতে চলেছে। সেই অনুষ্ঠানেই হাজির থাকতে বাংলায় আসতে পারেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। জানা যাচ্ছে, তাঁর হাত ধরেই আমুলের নয়া এই কারখানার ভিত্তিপ্রস্তর হতে পারে। এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন শতাধিক বিশিষ্ট অতিথি এবং দুগ্ধচাষি। প্রশাসনিক সূত্রে খবর,  শুধু হাওড়াতেই নয়, আগামিদিনে উত্তরবঙ্গেও ব্যবসা বাড়ানোর পরিকল্পনা সংস্থার আছে।

Advertisement

বছরের পর বছর রাজ্যে ঘটা করে বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন করেছে পূর্বতন তৃণমূল সরকার! সেই সম্মেলন থেকে দেওয়া হয়েছে একের পর এক প্রতিশ্রুতি। কিন্তু এরপরেও রাজ্যে কাটেনি শিল্প-খরা। যদিও রাজ্যে পালাবদলের পরেই শিল্পের আশা জাগিয়ে ১০০ দিনের মধ্যে ম্যাজিক দেখানোর বার্তা দিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর এহেন বার্তার কয়েকদিনের মধ্যেই নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেন গুজরাট কো-অপারেটিভ মিল্ক মার্কেটিং ফেডারেশন ম্যানেজিং ডিরেক্টর শ্রী জয়েন মেহতা এবং আমুল ডেয়ারির কর্ণধার শ্রী অমিত ব্যাস। দীর্ঘ আলোচনা হয়। এরপরেই ভিত্তিপ্রস্তরের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেখানেই উপস্থিত থাকতে আগামী ১৩ জুন বাংলায় আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেন গুজরাট কো-অপারেটিভ মিল্ক মার্কেটিং ফেডারেশন ম্যানেজিং ডিরেক্টর শ্রী জয়েন মেহতা এবং আমুল ডেয়ারির কর্ণধার শ্রী অমিত ব্যাস। দীর্ঘ আলোচনা হয়। এরপরেই ভিত্তিপ্রস্তরের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জানা গিয়েছে, হাওড়ার সালকিয়া ফুড পার্কে ওই ডেয়ারি কারখানা তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এটাই হবে আমূলের প্রথম পূর্ণাঙ্গ মালিকানাধীন ডেয়ারি কারখানা। সব মিলিয়ে প্রায় ৬৫০ কোটির বিনিয়োগ হবে। জানা গিয়েছে, এই কারখানা থেকে ১০ লক্ষ কিলোগ্রাম দই, লস্যি, ঘোল উৎপাদন হবে। মনে করা হচ্ছে, আমুলের বিপুল এই বিনিয়োগে একদিকে বাংলায় যেমন দুগ্ধ পরিকাঠামো শক্তিশালী হবে, তেমনই কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও জোয়ার আসবে। গুজরাটেরই একটি সংস্থা দু'দফায় ওই কারখানা তৈরি করবে। 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement