বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্ক নিয়ে এবার আরও কড়া রাজ্য সরকার। কোন কোন বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কের কাজকর্ম বাংলায় সন্দেহজনক! তার বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়ে পাঠাল দিল্লি। বেআইনিভাবে রক্ত পাচারের অভিযোগে ইতিমধ্যেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে কলকাতার পিপলস ব্লাড ব্যাঙ্ক। অন্যদিকে আতস কাচের তলায় আরও এগারো ব্লাড ব্যাঙ্কের কাজকর্ম। অভিযোগ, মোটা টাকার বিনিময়ে রক্ত এবং প্লাজমা বিক্রি করা হয়েছে। এবার রক্ত পাচার নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করল এনবিটিসি বা ন্যাশানাল ব্লাড ট্রান্সফিউশন কাউন্সিল।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বিশদে আলোচনা হয়েছে ব্লাডব্যাঙ্কের কাজকর্ম নিয়ে। মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, ব্লাডব্যাঙ্কের সমস্ত অসৎ কাজকর্ম বন্ধ করতে হবে। ব্লাড ব্যাঙ্কের তদন্তে জিরো টলারেন্স নেওয়া হবে।
ভিন রাজ্যে রক্ত অথবা প্লাজমা প্রচুর পরিমাণে স্থানান্তরিত করতে অনুমতি নিতে হয় এনবিটিসি বা ন্যাশনাল ব্লাড ট্রান্সফিউশন কাউন্সিলের। অভিযোগ, এই ব্লাডব্যাঙ্কগুলি সেই অনুমতি নেয়নি। ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্যদপ্তরের সঙ্গে এক দফা বৈঠক করেছে এনবিটিসি। জানতে চেয়েছে কোন কোন বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কের নাম রয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তরের সন্দেহের তালিকায়। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সেই রিপোর্ট পাঠাতে হবে ন্যাশনাল ব্লাড ট্রান্সফিউশন কাউন্সিলে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বিশদে আলোচনা হয়েছে ব্লাডব্যাঙ্কের কাজকর্ম নিয়ে। মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, ব্লাডব্যাঙ্কের সমস্ত অসৎ কাজকর্ম বন্ধ করতে হবে। ব্লাড ব্যাঙ্কের তদন্তে জিরো টলারেন্স নেওয়া হবে। স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে, ৭১ টি বেসরকারি ব্লাডব্যাঙ্ক আছে। তার মধ্যে মাত্র ১১ টি কে তলব করা হয়েছে। এদের কাজকর্ম বন্ধ করা হয়নি। কাগজপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রতিটি ব্লাডব্যাঙ্কে যথেষ্ট পরিমাণ রক্ত আছে। অনেকে প্রচার করতে চাইছেন থ্যালাসেমিয়া রোগীরা রক্ত পাচ্ছে না। এটা মিথ্যাচার।
