ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া শেষ করে নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে। কিন্তু এই তালিকার গভীরে লুকিয়ে রয়েছে এক চমকপ্রদ এবং কিছুটা রহস্যময় তথ্য। রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ৯৯টি আসনেই নতুন ভোটারের সংখ্যা 'শূন্য'! অর্থাৎ, গত ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এই আড়াই মাসের ব্যবধানে সংশ্লিষ্ট ৯৯টি কেন্দ্রে একজনও নতুন ভোটার হিসেবে নাম নথিভুক্ত করার জন্য 'ফর্ম ৬' পূরণ করেননি। এই চিত্রটি রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন তৈরি করেছে।
বিশেষ করে, যখন দেখা যাচ্ছে যে ভৌগোলিকভাবে পাশাপাশি থাকা একাধিক বিধানসভা কেন্দ্রেও নতুন ভোটারের আবেদন শূন্য। বিস্ময়কর এই পরিসংখ্যানের অন্যতম উদাহরণ নদিয়া জেলা। সেখানকার করিমপুর, তেহট্ট, পলাশিপাড়া, কালীগঞ্জ, নাকাশিপাড়া, রানাঘাট উত্তর-পশ্চিম, শান্তিপুর, কৃষ্ণগঞ্জ, রানাঘাট উত্তর-পূর্ব, রানাঘাট দক্ষিণ, চাকদহ, কল্যাণী, হরিণঘাটা এবং বাদুড়িয়া। এই ১৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে একজনও নতুন ভোটার নেই। সাড়ে সাত কোটি ভোটারের রাজ্যে আড়াই মাসে ৯৯টি কেন্দ্রে নতুন ভোটারের আবেদন শূন্য থাকা কমিশনের পক্ষেও অস্বস্তির।
বিস্ময়কর এই পরিসংখ্যানের অন্যতম উদাহরণ নদিয়া জেলা। সেখানকার করিমপুর, তেহট্ট, পলাশিপাড়া, কালীগঞ্জ, নাকাশিপাড়া, রানাঘাট উত্তর-পশ্চিম, শান্তিপুর, কৃষ্ণগঞ্জ, রানাঘাট উত্তর-পূর্ব, রানাঘাট দক্ষিণ, চাকদহ, কল্যাণী, হরিণঘাটা এবং বাদুড়িয়া। এই ১৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে একজনও নতুন ভোটার নেই।
কমিশনের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক এই পরিস্থিতি নিয়ে সরাসরি নিজের উষ্মা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, "আমরা এতবার করে আবেদন করি। তারপরও যদি কেউ ফর্ম- ৬ ফিলআপ না করেন, সেক্ষেত্রে কমিশনেরই বা কী করার থাকতে পারে?" রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রচারের অভাব নাকি মানুষের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগের অনাগ্রহ- কোনটি এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
