নির্বাচন কমিশনের চিঠিতে বিজেপির সিল! এমনই ঘটনা সামনে আসায় শুরু হয়েছে চর্চা। ঘটনা নিয়ে সরব বিরোধীরা। বিজেপির সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের আঁতাঁতের অভিযোগ তুলে আসছে তৃণমূল কমিশন। এই ঘটনা সেই অভিযোগকে মান্যতা দিল। এমনই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। ঘটনাটি নিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে সরব হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্রও। মুখ পুড়তেই নির্বাচন কমিশনও বার্তা দিয়েছে। কর্মীদের ঘাড়ে দায় চাপাল নির্বাচন কমিশন।
২০১৯ সালের সালের নির্দেশিকা সংক্রান্ত একটি চিঠি প্রকাশিত হয়েছে। কেরল সিপিএম ওই চিঠি সামাজিক মাধ্যমে সামনে এসেছে। দেখা গিয়েছে, ওই চিঠির শেষ দিকে বিজেপি প্রতীক -সহ সিলমোহর আছে। সেই নিয়েই শুরু হয়েছে চর্চা। নির্বাচন কমিশন বিজেপির কথায় কাজ করে। সেই অভিযোগ বরাবরই করে আসছে বিরোধীরা। তৃণমূল কংগ্রেস দীর্ঘ সময় ধরে এই বিষয়ে অভিযোগ করছে। এই ঘটনা সামনে আসতে আরও একবার তৃণমূল কংগ্রেস কটাক্ষ করেছে। নির্বাচন কমিশনকে বিজেপির 'বি টিম' বলে খোঁচা দিয়েছে। একইভাবে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রও এক্স হ্যান্ডেলে কমিশনকে ঠুকে বার্তা দিয়েছে।
এই চিঠি প্রকাশের পরই কার্যত মুখ পুড়েছে নির্বাচন কমিশনের। এমনই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ। ড্যামেজ কন্ট্রোলের জন্য কমিশন কর্মীদের দিকেই দায় ঠেলেছে। কর্মীদের ভুলেই ওই ঘটনা বলে পালটা দাবি কমিশনের। এই বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ মহুয়া মৈত্র এক্স হ্যান্ডেলে কটাক্ষ করে লিখেছেন, "জ্ঞানেশ কুমারকে সাধুবাদ, কারণ আমরা সবাই যা আগে থেকেই জানতাম, তা তারা অবশেষে পরিষ্কারভাবে প্রকাশ করেছেন। নির্বাচন কমিশন অবশেষে বিজেপির সিলমোহরযুক্ত আনুষ্ঠানিক চিঠি জারি করার সাহস দেখিয়েছে। সাবাশ! গণতন্ত্র জিন্দাবাদ!"
