shono
Advertisement
Sumit Roy

জোর করে দখল, জমির ভুয়ো নথি বানিয়ে বিক্রি! অভিষেকের পিএ সুমিতের রক্ষাকবচে 'না' হাই কোর্টের

ক্যামাক স্ট্রিটে টাকা পৌঁছত। আর্থিক লেনদেন নগদে হত বলে তদন্তে উঠে এসেছে। দাবি সরকারি আইনজীবীর। সওয়াল জবাব শুনে বিচারপতি ঘোষ মামলাকারীর আইনজীবীকে বলেন, এখনই রক্ষাকবচ চাইবেন না। আগামিকাল মামলার ফের শুনানি।
Published By: Subhankar PatraPosted: 05:25 PM Jul 28, 2026Updated: 06:02 PM Jul 28, 2026

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়কে (Sumit Roy) এখনই রক্ষাকবচ দিল না কলকাতা হাই কোর্ট। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের পর্যবেক্ষণ, তদন্ত চলছে এখনই রক্ষাকবচ চাইবেন না। শুনানি চলাকালীন অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল রাজদীপ মজুমদার আদালতে দাবি করেন, ভুয়ো ব্যক্তিদের নামে রেকর্ড বানিয়ে তা বিক্রি করা হয়েছে। মিডলম্যান হিসাবে কাজ করেছেন সুজয় হাজরা। সুবিধা পেয়েছেন সুমিত রায়। আগামিকাল বুধবার মামলার পরবর্তী শুনানি।

Advertisement

আজ, মঙ্গলবার হাই কোর্টে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে জমি দুর্নীতি মামলা ওঠে। সেখানে রক্ষাকবচ চেয়ে আবেদন করেন তাঁর আইনজীবী সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আদালতে দাবি করেন, পুলিশের অভিযোগ ভিত্তিহীন। যে জমির কথা বলা হয়েছে সেগুলি সরকারি নথিতে নথিবদ্ধ। জমির মালিকদের শনাক্ত করা হয়েছে। সুজয় হাজরা ক্যামাক স্ট্রিটে এসে টাকা দিতেন অভিযোগ উঠেছে। অথচ তার একটাও প্রমাণ নেই। মামলাকারী তাঁর ইনকাম ট্যাক্সের নথি আদালতে জমা দিয়েছেন।

পালটা দিয়ে রাজদীপ মজুমদার আদালতে জানান, যাঁদের জমি তাঁরা বক্তব্য দিয়েছে। গ্রামের মানুষদের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জেনেছে, জোর করে উঠে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। ভুয়ো নামে নথি বানিয়ে রেকর্ড করা হয়েছে। বিষ্ণু রায়, পল্টু রায়, কমলা রায় এমন নামে নথি বানানো হয়েছে। এই নামে কেউই নেই। সুজয় হাজরার (মিডল ম্যান) থেকে একাধিক নথি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। বেনিফিট নিয়েছেন এই সুমিত রায়। সমস্ত আর্থিক লেনদেন নগদে হত বলে তদন্তে উঠে এসেছে। সওয়াল-জবাব শুনে বিচারপতি ঘোষ মামলাকারীর আইনজীবীকে বলেন, "এখনই রক্ষাকবচ চাইবেন না।" আগামিকাল মামলার ফের শুনানি।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement