সাত এইআরও-র পর মাইক্রো অবজার্ভার। এবার তিন মাইক্রো অবজার্ভারকে সাসপেন্ড করল কমিশন। এসআইআরের কাজে গাফিলতির অভিযোগে তাঁদের সাসপেনশনের সিদ্ধান্ত। X হ্য়ান্ডেলে পোস্ট করে সিইও ওয়েস্ট বেঙ্গল সাসপেনশনের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন।
মাইক্রো অবজার্ভার হিসাবে নিযুক্ত বঙ্গীয় গ্রামীণ বিকাশ ব্যাঙ্কের ম্যানেজার, ইউকো ব্যাঙ্কের সিনিয়র ম্যানেজার এবং ইন্সপেক্টর অফ সেন্ট্রাল ট্যাক্স সিজিএসটি অ্যান্ড সিএক্সকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, মাইক্রো অবজার্ভার হিসাবে নিযুক্ত বঙ্গীয় গ্রামীণ বিকাশ ব্যাঙ্কের ম্যানেজার, ইউকো ব্যাঙ্কের সিনিয়র ম্যানেজার এবং ইন্সপেক্টর অফ সেন্ট্রাল ট্যাক্স সিজিএসটি অ্যান্ড সিএক্সকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এই তিনজনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। আর সেই তদন্তের অগ্রগতি নিয়মিত জানাতে হবে কমিশনকে।
এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন মাইক্রো অবজার্ভারদের একাংশের কাজ নিয়ে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। তা নিয়ে আগেই মাইক্রো অবজার্ভারদের সতর্ক করে কমিশন। স্পষ্ট বলা হয়, দায়িত্ব পালনে কোনও গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না। এমনকী কাজের কোথাও অবহেলা প্রমাণিত হলে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও কার্যত হুঁশিয়ারি দেয় কমিশন। এবার সরাসরি সাসপেনশনের সিদ্ধান্ত। যদিও শুরু থেকেই মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগের কোনও আইন নেই নির্বাচন কমিশনের। কিন্তু নিয়ম বহির্ভূতভাবে তা নিয়োগ করা হয়েছে। তাই মাইক্রো অবজার্ভারদের কথা শোনার প্রয়োজন নেই।
বলে রাখা ভালো, এর আগে সাত এইআরও-কে সাসপেন্ড করে কমিশন। এই সাসপেনশন ইস্যু ঘিরে রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক মহলে উত্তাপ বাড়ছে। এভাবে কি রাজ্য সরকারের কোনও কর্মীকে সরাসরি কমিশন শাস্তি দিতে পারে? মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে এই প্রশ্ন তুলে ক্ষোভ উগরে দেন মুখ্যমন্ত্রী। এই মর্মে মমতার স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, “যাঁদের ডিমোশন করবে, তাঁদের আমরা প্রোমোশন দেব।” নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর এই সাংবাদিক বৈঠকের পর তিন মাইক্রো অবজার্ভারকে সাসপেনশনের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।
