যুদ্ধের আঁচে দেশে জ্বালানি গ্যাসের সংকট। তার প্রভাব পড়ছে বাংলার আনাচেকানাচেও। কোথাও কোথাও এলপিজি সমস্যায় রান্নাবান্না বন্ধের পথে। সড়ক পরিবহণেও জ্বালানি সমস্যার প্রভাব পড়েছে। ইতিমধ্যে রাস্তাঘাটে অটোয় বাড়তি ভাড়া গুনতে হচ্ছে নিত্যযাত্রীদের। এই পরিস্থিতিতে কৃত্রিমভাবে যেন সমস্যা তৈরি করা না হয়, সেদিকে কড়া নজরদারির নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার তিনি জানালেন, এবিষয়ে জেলাশাসক, পুলিশ সুপারদের বিশেষ নির্দেশ দিয়েছেন। দরকার হলে যারা এমন দুঃসময়ে মানুষের পাশে না থেকে নিজেদের স্বার্থে মজুত করে রাখছেন, তাঁদের কাছ থেকে সরকার তা বাজেয়াপ্ত করবে। পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে বুধবার বিকেলেই গ্যাস ডিলারদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
বুধবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, এবিষয়ে জেলাশাসক, পুলিশ সুপারদের বিশেষ নির্দেশ দিয়েছেন। দরকার হলে যারা এমন দুঃসময়ে মানুষের পাশে না থেকে নিজেদের স্বার্থে মজুত করে রাখছেন, তাঁদের কাছ থেকে সরকার তা বাজেয়াপ্ত করবে। পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে বুধবার বিকেলেই গ্যাস ডিলারদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
আচমকা জ্বালানি সংকট তৈরির নেপথ্যে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুরোপুরি দায়ী করেছেন কেন্দ্র সরকারকে। তাঁর অভিযোগ, সঞ্চয়ের খতিয়ান আগে না কেন এলপিজি বুকিং নিয়ে কড়াকড়ির বিজ্ঞপ্তি জারি করে দিল? এটা দায়িত্বজ্ঞানহীন সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন তিনি। আর এখানেই রাজ্য সরকার আগাম অতি সতর্কতা অবলম্বন করছে। এখানে এলপিজি-র সঞ্চয় কেমন, তা বুঝে দেখতে আজই গ্যাস ডিলারদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন মুখ্যমন্ত্রী নিজে। সব খতিয়ে দেখে বৃহস্পতিবার আবার প্রশাসনিক বৈঠক করবেন তিনি। এমন দুঃসময়ে কীভাবে গ্যাসের সমস্যা থেকে আমজনতাকে রক্ষা করা যায়, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনও রূপরেখা তৈরি করে দিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী।
তবে তার আগে থেকেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এমন সংকটকালে কালোবাজারি যাতে না হয়, তার জন্য ইতিমধ্যে তিনি জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন। জেলাশাসক, পুলিশ সুপারদের উদ্দেশে তিনি জানিয়েছেন, কেউ অবৈধভাবে সিলিন্ডার মজুত করলে প্রয়োজন হলে তাঁর থেকে বাজেয়াপ্ত করতে হবে। কোনওভাবে কালোবাজারি বরদাস্ত করবে না সরকার। অনেকেই মনে করছেন, মুখ্যমন্ত্রী এসময় শক্ত হাতে রাশ টানলে এরাজ্যে গ্যাস সমস্যা এতটা প্রকট হবে না হয়তো।
