নবীন 'বিক্ষুব্ধ' নেতা প্রতীক উর রহমান (Pratik Ur Rahaman) ও সিপিএমের সম্পর্ক নিয়ে জলঘোলা আরও বাড়ল। আগামী কাল বৃহস্পতিবার থেকে দু'দিনের সিপিএমের রাজ্য কমিটির বৈঠক শুরু হচ্ছে। ওই বৈঠকে প্রতীক উরকে আমন্ত্রণ জানানো হবে না, প্রাথমিকভাবে এমনই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সিপিএমের দলের অন্দরের খবর। এই তরুণ তুর্কি নিজে থেকে কী সিদ্ধান্ত নেন, তাই দেখা হবে। অর্থাৎ, প্রতীক উর রহমানের কোর্টেই বল ঠেলে দিল আলিমুদ্দিন। এমনই মনে করছে ওয়াকিবহাল। তাহলে কি এই তরুণ তুর্কির সঙ্গে সিপিএম দূরত্ব বাড়াতে শুরু করেছে? সেই প্রশ্ন উঠেছে।
এই তরুণ তুর্কি নিজে থেকে কী সিদ্ধান্ত নেন, তাই দেখা হবে। অর্থাৎ, প্রতীক উর রহমানের কোর্টেই বল ঠেলে দিল আলিমুদ্দিন। এমনই মনে করছে ওয়াকিবহাল। তাহলে কি এই তরুণ তুর্কির সঙ্গে সিপিএম দূরত্ব বাড়াতে শুরু করেছে?
পার্টির সব পদ থেকে অব্যাহতি চাওয়ার প্রতীক উর রহমানের (Pratik Ur Rahaman) চিঠি দিন কয়েক আগে সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল। যদিও সেই চিঠির সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল। তিনি নিজেও দলকে ওই চিঠি দেওয়ার বিষয় নিয়ে জল্পনা বাড়িয়ে রেখেছিলেন। তিনি কি সত্যিই ওই চিঠি লিখেছিলেন? সেই জল্পনাও উসকে গিয়েছিল। সিপিএম (CPM) নেতৃত্বও ওই চিঠি নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চাইছিলেন না। মহম্মদ সেলিম, সুজন চক্রবর্তীর মতো প্রাজ্ঞ নেতারা প্রতীক উর বিতর্কে জানিয়েছিলেন, দলের অন্দরে এই বিষয়ে কথা হবে। সেই আবহে এদিনের চর্চা যথেষ্ঠ ইঙ্গিতপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশের। সিপিএম নেতৃত্ব রাজ্য কমিটির বৈঠকে আমন্ত্রণ না জানিয়ে প্রতীক উরের উপরই সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি ছেড়ে দিয়েছে বলে খবর। তাহলে কি সিপিএম ওই চিঠির কথা পরোক্ষে স্বীকার করে নিল? সেই প্রশ্নও উঠে গেল। শুধু তাই নয়, ইস্তফাপত্র গ্রহণ করছে আলিমুদ্দিন? সেই প্রশ্নও জোরালো হচ্ছে।
তিনি নিজে থেকে বৈঠকে আসবেন? নাকি আরও দূরত্ব বাড়াবে? প্রতীক উরের পদক্ষেপ দেখে আগামী দিনের সিদ্ধান্ত দল নেবে। এমনই কথা আলিমুদ্দিনের অন্দরে শোনা গিয়েছে বলে গোপন সূত্রে খবর।
সিপিএমের এই তরুণ তুর্কি দল থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন। শুধু তাই নয়, তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিতে পারেন, জোড়া ফুল চিহ্নে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থীও হতে পারেন! সেই জল্পনাও রাজনৈতিক মহলে দাবানলের মতো ছড়িয়েছে। যদিও তৃণমূল ও প্রতীক উরের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কিছুই এখনও জানানো হয়নি। এই অবস্থায় সিপিএমের রাজ্য কমিটির বৈঠকে প্রতীক উর উপস্থিত থাকবেন কিনা, তাঁকে নিয়ে বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত হবে, তাঁর সঙ্গে বৈঠকে রাজ্য নেতৃত্ব কথা বললেন কিনা, সেসব প্রশ্ন চর্চায় ছিল। সেক্ষেত্রে রাজ্য কমিটির বৈঠকে তাঁকে আমন্ত্রণ না জানিয়ে প্রতীক উরের উপরই সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয় ছেড়ে দিয়েছে সিপিএম। তিনি নিজে থেকে বৈঠকে আসবেন? নাকি আরও দূরত্ব বাড়াবে? প্রতীক উরের পদক্ষেপ দেখে আগামী দিনের সিদ্ধান্ত দল নেবে। এমনই কথা আলিমুদ্দিনের অন্দরে শোনা গিয়েছে বলে গোপন সূত্রে খবর।
