সোমবার থেকে চর্চায় একটাই নাম প্রতীক উর রহমান (Pratikur Rahaman)। রাজ্য ও জেলা কমিটি থেকে তাঁর পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়ে নানামহলের নানামত। শোনা যাচ্ছে, চলতি সপ্তাহেই নাকি কাস্তে ছেড়ে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিতে চলেছেন তিনি। এনিয়ে অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন বাম নেতা প্রতীক উর রহমান। তিনি জানালেন, পদত্যাগ পত্র প্রকাশ্যে আসার পর প্রায় সব দল থেকেই যোগাযোগ করা হয়েছে তাঁর সঙ্গে। তবে তিনি কোন পথে হাঁটবেন, রাজনৈতিক সন্ন্যাস নেবেন কি না, তা সময় বলবে।
ভোট বড় বালাই। নির্বাচনের মুখে এক একটি পা ফেলতে হবে অতি সাবধানে। আর সেই কাজটাই এই মুহূর্তে করে চলেছে রাজ্য বামফ্রন্ট। দলের ‘তরুণ তুর্কি’ প্রতীক উর রহমানকে (Pratikur Rahaman) ধরে রাখতে আসরে নেমেছেন প্রবীণ বিমান বসু। প্রতীকের সঙ্গে ফোনে কথা বলে তিনি মানভঞ্জনের চেষ্টা করছেন বলে খবর আলিমুদ্দিন সূত্রে। সিপিএমের একাংশ চাইছে, প্রতীক উরের মতো তরতাজা, সংখ্যালঘু, সক্রিয় নেতাকে সামনে রেখে ছাব্বিশের নির্বাচনী লড়াইয়ে নামতে। কিন্তু সিপিএমের অন্দরে ‘লবি’ তা আটকে দিচ্ছে বলেও সূত্রের খবর। এহেন জটিল পরিস্থিতিতে বামেই পা নাকি ডাইনে মোড় ঘুরবেন প্রতীক উর, সেই উত্তর খুঁজছে সবমহল। তবে কৌশলে ধোঁয়াশা জারি রাখছেন এই নেতা।
দলের ‘তরুণ তুর্কি’ প্রতীক উর রহমানকে ধরে রাখতে আসরে নেমেছেন প্রবীণ বিমান বসু। প্রতীকের সঙ্গে ফোনে কথা বলে তিনি মানভঞ্জনের চেষ্টা করছেন বলে খবর আলিমুদ্দিন সূত্রে। সিপিএমের একাংশ চাইছে, প্রতীক উরের মতো তরতাজা, সংখ্যালঘু, সক্রিয় নেতাকে সামনে রেখে ছাব্বিশের নির্বাচনী লড়াইয়ে নামতে।
তবে তাঁর পদত্যাগ পত্র প্রকাশ্যে আসার পরই যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরফে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে তা স্বীকার করে নিয়েছেন প্রতীক উর। তাঁর স্পষ্ট কথা, "অনেক দল যোগাযোগ করেছে। কারও সঙ্গে কথা বলেছি। কারও সঙ্গে কথা বলিনি। আমি বিজেপিতে যাব নাকি সিপিএমে, নাকি হুমায়ুনের দলে যাব তা সময় বলবে। সময় সব থেকে বড় শিক্ষক।" তবে তিনি রাজনৈতিক সন্ন্যাস নিতে পারেন বলেও জল্পনা উসকে দিয়েছেন প্রতীক উর।
