সরস্বতী পুজোর পর জাঁকিয়ে শীত না পড়লেও প্রতিবছরই দোল পর্যন্ত একটা আমেজ থাকেই। ভোরের দিকে অনুভূত হয় শিরশিরানি। কিন্তু এবছর দোলের আগেই পারদ ছুঁতে পাবে ৩০ ডিগ্রি! হাওয়া অফিসের পূর্বাভাসে কার্যত মাথায় হাত আমজনতার। তবে কি ফেব্রুয়ারিতেই গলদঘর্ম অবস্থা হবে? প্রশ্ন সকলের।
হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় এক থেকে দুই ডিগ্রি নিচে রয়েছে বেশ কয়েকটি জেলায়। তবে এবার তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কিছুটা বাড়বে। সপ্তাহের শেষদিকে এক ধাক্কায় দু থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে বলে অনুমান আবহাওয়াবিদদের। শুক্রবার থেকে রবিবারের মধ্যে কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকার তাপমাত্রা ১৮ থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছবে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বেড়ে পৌঁছতে পারে ৩০ ডিগ্রিতে। উপকূলবর্তী জেলার তাপমাত্রা ১৭ থেকে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করবে বলেই খবর। পশ্চিমের জেলাগুলিতে ১৫ থেকে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে।
শুক্রবার থেকে রবিবারের মধ্যে কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকার তাপমাত্রা ১৮ থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছবে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বেড়ে পৌঁছতে পারে ৩০ ডিগ্রিতে। উপকূলবর্তী জেলার তাপমাত্রা ১৭ থেকে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করবে বলেই খবর।
আগামী দু-দিন হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে কুয়াশার সম্ভাবনা একটু বেশি। সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা দুই-ই বাড়তে পারে। দার্জিলিং ও সংলগ্ন পার্বত্য এলাকায় আগামী কয়েক দিনে ৬ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করবে তাপমাত্রা। কালিম্পং-সহ সমতল সংলগ্ন এলাকায় ১১ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে তাপমাত্রা। শিলিগুড়ি, মালদহ ও সংলগ্ন জেলার তাপমাত্রা ১৭ থেকে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকবে। তবে এই মুহূর্তে রাজ্যে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই।
