shono
Advertisement
International Kolkata Book Fair

২৩ কোটি থেকে বেড়ে ২৭ কোটি! একলাফে বইমেলায় বই বিক্রি বাড়ল ১৫ শতাংশ, বাড়ল ভিড়ও

৫০তমর লক্ষ্যে এখন থেকেই প্রস্তুতি পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের।
Published By: Biswadip DeyPosted: 09:41 AM Feb 04, 2026Updated: 01:36 PM Feb 04, 2026

কাতর গলায় তরুণী বললেন, ‘‘১০ শতাংশটা ২০ করে দিন না প্লিজ। আজই তো মেলার শেষ দিন...’’ ছাড় সংক্রান্ত দরদাম। মেলায় ১০ শতাংশ ছাড় বেঁধে দিয়েছে পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ড। কিন্তু তার ফাঁক গলে হলেও ক্রেতাদের আবদার ফেলতে পারেনি অনেক প্রকাশনা সংস্থাই। শেষপর্বে তাই কোথাও ১২, কোথাও ১৫ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিয়েছেন বিক্রেতারা। তাই তো হুগলির শ্রীরামপুর থেকে আসা তরুণী-ছাত্রীর আবদারের ফল হাতেনাতে ফলেছে। তাঁর মতো অনেক ক্রেতার ভাগ্যে জুটেছে অতিরিক্ত ডিসকাউন্ট। আর তাতেই তারা আহ্লাদে আটখানা।

Advertisement

বোলপুর থেকে বইমেলায় (International Kolkata Book Fair) এসেছিলেন ঈশিতা বসু। বিশ্বভারতীয় বাংলা বিভাগের ছাত্রী। বুধে বন্ধু সুদীপের জন্মদিন। বইমেলার শেষ দিনটা তাই রথ দেখা, কলা বেচার মতোই। প্রিয় বন্ধুর হাত ধরে মেলাটা এক চক্কর দেওয়া। আর তার পছন্দের লেখক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বইটা কিনে দেওয়া। কথায় কথায়, বিক্রেতা জানালেন, একটাই  কপি রয়েছে। ঈশিতার আবদার, ‘‘ডিসকাউন্টটা একটু বেশি হবে না? তাহলেই বইটা নিয়ে নিতে পারি।’’

মেলা শেষে গিল্ডের তরফে জানানো হল এবার মেলায় আসা মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। গত বছর ছিল ২৭ লক্ষ। এবার বেড়ে হয়েছে প্রায় ৩২ লক্ষ। বেড়েছে বিক্রিবাটাও।

বিক্রেতা না, না করলেও শেষমেশ ক্রেতাকে খালি হাতে ফেরালেন না। ১৫ শতাংশ ছাড় দিলেন। ভাঙা মেলায় একটু কমে জিনিসপত্র পাওয়া যায়। শেষদিনে তেমনই ছবি বইমেলায়। পড়ার নেশায় ছুটে এনেছেন কলেজ-আপিস ফিরতিরাও। তবে, পকেটে টান পড়ছে। তাই শেষের দিকে ছাড় বৃদ্ধির আবদারের ফিসফিস। আর এসব দেখে বই বিক্রেতা ও ডুংরি, পরম্পরার মতো একাধিক ছোটো প্রকাশনী সংস্থার বক্তব্য, “আমরা চাই মানুষ বই কিনে পড়ুক। অনেকেই দু-পাঁচ শতাংশ ছাড় বেশি চান। যদি দেওয়া যায়। এর ফলে যদি মানুষের হাতে বেশি করে বই ওঠে, উঠুক না। এটাই তো চাই আমরা।”

এদিনও বহু স্টলে বই প্রকাশ চোখে পড়ল। যেমন, ‘প্রেস কর্নারে’ ফারুক আহমেদ-এর সম্পাদনায় ‘উদার আকাশ’ পত্রিকার বিশেষ সংখ্যা ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়’-এর উদ্বোধন হয়।  মেলা শেষে গিল্ডের তরফে জানানো হল এবার মেলায় আসা মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। গত বছর ছিল ২৭ লক্ষ। এবার বেড়ে হয়েছে প্রায় ৩২ লক্ষ। বেড়েছে বিক্রিবাটাও। গিল্ড কর্তা ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায়ের কথায়, বিক্রি বেড়েছে প্রায় ১৫ শতাংশ। ২৩ কোটি থেকে বেড়ে হয়েছে প্রায় ২৬ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা। মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তীর কথায়, “এই বইমেলা বাংলার গর্ব বাড়িয়েছে। জনসমাগমের রেকর্ড ভেঙে, রেকর্ড তৈরি করেছে।” ছিলেন বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী, গিল্ড কর্তা সুধাংশুশেখর দে, শুভঙ্কর দে প্রমুখ।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement