বিধানসভা নির্বাচনের মুখে ফের 'অ্যাকশনে' ইডি (ED)। বিধাননগরের তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসু (Sujit Bose) এবং মধ্যমগ্রামের প্রার্থী রথীন ঘোষকে (Rathin Ghosh) ফের তলব করা হয়েছে। দু'জনকেই শনিবার সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে পাঠানো হয়েছে। এই নিয়ে সুজিত বসুকে তৃতীয়বার এবং রথীন ঘোষকে দ্বিতীয়বার নোটিস পাঠানো হল।
ইডি সূত্রে খবর, বিধাননগরের তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসুকে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তলব করা হয়েছে। এর আগেও দু'বার তলব করা হয়েছে তাঁকে। প্রচারের কাজে আপাতত ব্যস্ত সুজিত। তাই স্বাভাবিকভাবেই তিনি হাজিরা দিতে যেতে পারেননি। সেকথা উল্লেখ করে বৃহস্পতিবার ইডিকে একটি কড়া চিঠিও পাঠান। তাতে স্পষ্ট দাবি করেন, তিনি ভোটের কাজে ব্যস্ত। তাই হাজিরা দিতে পারছেন না। ভোটের পর মে মাসে হাজিরা দিতে পারবেন বলেই জানান। ওই চিঠিতে ইডির বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ তুলেছেন তিনি। সেই চিঠির পরেও তৃতীয়বার নোটিস পাঠানো হয়েছে সুজিতকে। সূত্রের খবর, তৃতীয়বার হাজিরা এড়ালে সুজিতের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে পারে ইডি।
অন্যদিকে, জমি দখল সংক্রান্ত মামলায় ইডির স্ক্যানারে মধ্যমগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী রথীন ঘোষ। গত বুধবার বিদায়ী খাদ্যমন্ত্রীকে তলব করা হয়। কিন্তু সেদিন কেউ সিজিও কমপ্লেক্সে যাননি। দ্বিতীয়বার ফের তাঁকে শনিবার হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, ভোটের আগে তিনি হাজিরা দিতে পারবেন না বলেই জানিয়েছেন।
বলে রাখা ভালো, চলতি সপ্তাহে আচমকাই জমি দুর্নীতি মামলায় রাসবিহারী কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী তথা কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমারকে তলব করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তিনি সোমবার নথিপত্র নিয়ে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে যান। এরপর আবার শুক্রবার ডেকে পাঠানো হয়। প্রচারের ব্যস্ততার মাঝে এদিনও দেবাশিস কুমার সময়মতো হাজিরা দিয়েছেন। পরপর তিন হেভিওয়েট তৃণমূল প্রার্থী ডেকে পাঠানোর নেপথ্যে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র দেখছে শাসক শিবির তৃণমূল। যদিও এই বিষয়ে গেরুয়া শিবিরের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
