ক্ষমতা বদল স্রেফ রাজনৈতিক পরিবর্তন নয় এরাজ্যে। বরং সমস্ত ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা। এমন কথা বারবার শোনা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যের অন্যান্য মন্ত্রীদের গলায়। পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই রাজ্যের শহর-সহ গোটা বাংলাকে পরিচ্ছন্ন করতে পথে নেমে কাজে হাত দিয়েছেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। পথঘাট নোংরা করলে জরিমানার ঘোষণা করেছেন তিনি। আজ অর্থাৎ সেপ্টেম্বরের ১ তারিখ থেকেই তা কার্যকর হল। রাস্তায় থুতু ফেলা, প্রস্রাব করা থেকে পথের ধারে বেআইনি গাড়ি পার্কিং, বালি-সিমেন্ট ফেলে রাখা হলে ন্যূনতম ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হবে। এনিয়ে আজ নিজের দপ্তরে সাংবাদিক বৈঠক করেন বিস্তারিত জানান অগ্নিমিত্রা পাল।
মন্ত্রীর ঘোষণা, ‘‘আমি আগেই বলেছিলাম, রাস্তাঘাট পরিষ্কার রাখতেই হবে। এতদিন যা চলত, এখন আর চলবে না। এতদিন ধরে প্রচার করা হয়েছে। আজ থেকে আমরা রাস্তা অপরিষ্কারে জরিমানা চালু করলাম। একটা ন্যূনতম টাকা জরিমানা হিসেবে নেওয়া হবে। পথে থুতু ফেললে বা মলমূত্র ত্যাগ করলে ১০০ থেকে ২০০ টাকা আদায় করা হবে।''
সাংবাদিক বৈঠক থেকে মন্ত্রীর ঘোষণা, ‘‘আমাদের নিজেদের পরিবেশটাকে একটু সুন্দর, সুস্থ রাখার দায়িত্ব আমাদেরই নিতে হবে। এ শহরের রাস্তাঘাটের সঙ্গে অন্যান্য শহরের তুলনাই চলে না। সেসব শহর অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন। আমরাও তা না করতে পারলে অন্যদের সঙ্গে পাল্লা দেব কীভাবে? আমি আগেই বলেছিলাম, রাস্তাঘাট পরিষ্কার রাখতেই হবে। এতদিন যা চলত, এখন আর চলবে না। এতদিন ধরে প্রচার করা হয়েছে। আজ থেকে আমরা রাস্তা অপরিষ্কারে জরিমানা চালু করলাম। একটা ন্যূনতম টাকা জরিমানা হিসেবে নেওয়া হবে। পথে থুতু ফেললে বা মলমূত্র ত্যাগ করলে ১০০ থেকে ২০০ টাকা আদায় করা হবে।''
এ প্রসঙ্গে মন্ত্রীর বক্তব্য, ‘‘এমনটা ভাবার কারণ নেই যে আমরা সাধারণ মানুষের উপর জরিমানা চাপিয়ে টাকা আদায় করছি। সেটা আমাদের মূল লক্ষ্য নয়। মূল লক্ষ্য হল, জনতাকে সচেতন করা। এধরনের শাস্তি হলে তবে মানুষ নিজে সচেতন হবে।''
শুধু থুতু ফেলা বা মলমূত্র ত্যাগ করাই নয়, রাস্তার ধারে বেআইনিভাবে গাড়ি পার্কিং বা বাড়ি তৈরির সময়ে রাস্তার ধারে বালি, সিমেন্ট, স্টোনচিপসের মতো নির্মাণ সামগ্রী বা আবর্জনা ফেলে রাখলেও তা অপরাধ বলে বিবেচিত হবে। সেক্ষেত্রেও একই অর্থ জরিমানা আদায় করা হবে। অগ্নিমিত্রা পাল আরও জানিয়েছেন, ১২০ মাইক্রনের নিচে প্লাস্টিক ব্যাগ অর্থাৎ যাতে পরিবেশ দূষিত হয়, এমন ব্যাগ ব্যবহারের ক্ষেত্রেও জরিমানা দিতে হবে। তবে এই জরিমানা নগদে নয়, নেওয়া হবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রীর বক্তব্য, ‘‘এমনটা ভাবার কারণ নেই যে আমরা সাধারণ মানুষের উপর জরিমানা চাপিয়ে টাকা আদায় করছি। সেটা আমাদের মূল লক্ষ্য নয়। মূল লক্ষ্য হল, জনতাকে সচেতন করা। এধরনের শাস্তি হলে তবে মানুষ নিজে সচেতন হবে।'' সুতরাং, সাধু সাবধান! আজ থেকে রাস্তাঘাটে যা খুশি করার আগে মাথায় রাখবেন, অপরাধ ধরা পড়লে জরিমানা দিতে গিয়ে পকেটে টান পড়বে।
