ভোটের প্রচারে বিজেপির উদ্দেশে বারবার লাগামহীন হুঁশিয়ারি, মুহুর্মুহু চ্যালেঞ্জ! অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যের ভাষা নিয়ে আগেই উঠেছিল আপত্তি। এবার তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হল এফআইআর। সূত্রের খবর, শুক্রবার রাতে বাগুইআটির বাসিন্দা রাজীব সরকার বিধাননগর পুলিশের কাছে এফআইআরটি দায়ের করেছেন। এছাড়া পুলিশ অভিষেকের বিভিন্ন বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সাইবার অপরাধের ধারায় মামলা রুজু করেছে। সূত্রের খবর, জামিন অযোগ্য বেশ কয়েকটি ধারায় মামলা হয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে।
গত ২৭ এপ্রিল এক জনসভায় বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে অভিষেকের বক্তব্য ছিল, ‘‘আমি দেখব, ৪ তারিখ রাত ১২টার পরে কে তাদের বাঁচাতে আসে। এই জল্লাদদের কত ক্ষমতা আছে, আর দিল্লি থেকে কোন বাবা তাদের উদ্ধার করতে আসে, সেটাও দেখব।'' এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের দ্বারস্থ হলেন বাগুইআটির বাসিন্দা রাজীব সরকার।
ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের প্রচার চলাকালীন প্রায় প্রতি সভা থেকেই বিজেপির বিরুদ্ধে লাগাতার কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কখনও কখনও তা মাত্রাছাড়া হয়ে গিয়েছিল। গত ২৭ এপ্রিল এক জনসভায় বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে অভিষেকের বক্তব্য ছিল, ‘‘আমি দেখব, ৪ তারিখ রাত ১২টার পরে কে তাদের বাঁচাতে আসে। এই জল্লাদদের কত ক্ষমতা আছে, আর দিল্লি থেকে কোন বাবা তাদের উদ্ধার করতে আসে, সেটাও দেখব।'' এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের দ্বারস্থ হলেন বাগুইআটির বাসিন্দা রাজীব সরকার। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই এফআইআর করা হয়। অভিযোগের সপক্ষে তৃণমূল নেতার বিভিন্ন সভার বক্তব্যের ক্লিপিংসও থানায় জমা দিয়েছেন রাজীব সরকার।
সূত্রের খবর, অভিষেকের বিরুদ্ধে সাইবার ক্রাইম থানায় মোট ৫ টি ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। তার মধ্যে দু, একটি জামিন অযোগ্য। এই খবরের পর প্রাক্তন তৃণমূল ও বিজেপির বর্ষীয়ান বিধায়ক তাপস রায়ের প্রতিক্রিয়া, ‘‘আজ রাতেই ওকে (অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়) গ্রেপ্তার করা উচিত।''
