shono
Advertisement

Breaking News

KMC

শনিতেই শুরু সেনসাস, জোরকদমে অন্নপূর্ণার কাজ! কর সংগ্রহের কাজে চাপ বাড়ছে কলকাতা পুরসভার

পুরসভা সূত্রের খবর, চলতি অর্থবর্ষে প্রথম তিন মাসে সম্পত্তি কর আদায় বেড়েছে মাত্র আড়াই শতাংশ। গত অর্থবর্ষে একই সময়ে সম্পত্তি কর আদায়ের বৃদ্ধির হার ছিল ১২ শতাংশেরও বেশি।
Published By: Arpita MondalPosted: 04:25 PM Jul 29, 2026Updated: 04:35 PM Jul 29, 2026

বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের হাত থেকে ক্ষমতার রাশ যেতেই ডামাডোল পুরসভাগুলিতে। কলকাতা সহ একের পর এক পুরবোর্ডগুলি তাসের ঘরের মতো ভেঙেছে। যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে পুরসভার রাজস্ব আদায়ে। পুরসভা সূত্রের খবর, চলতি অর্থবর্ষে প্রথম তিন মাসে সম্পত্তি কর আদায় বেড়েছে মাত্র আড়াই শতাংশ। অথচ গত অর্থবর্ষে একই সময়ে সম্পত্তি কর আদায়ের বৃদ্ধির হার ছিল ১২ শতাংশেরও বেশি। পুরসভার কোষাগারে যার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

Advertisement

গত মে মাসে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর কলকাতা পুরসভার মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দেন ফিরহাদ হাকিম। ৮ জুন ভেঙে দেওয়া হয় কলকাতা পুরসভার নির্বাচিত পুরবোর্ড। সেই সময় থেকেই পুরসভার প্রশাসনিক ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন হয়। পুরসভা সূত্রের খবর, জুন মাসে দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে পুরসভার প্রায় সমস্ত দপ্তরের কর্মীদের-সোশাল ওয়েলফেয়ার, স্বাস্থ্য ও জল বিভাগ, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কর্মী, 'অ্যাসেসমেন্ট' বিভাগের কর্মীদের অন্নপূর্ণা যোজনার কাজে নিযুক্ত করা হয়েছে। যার ফলে নাগরিক পরিষেবা বহু ক্ষেত্রে বিঘ্নিত হচ্ছে। একদিকে যেমন সড়ক, জল, নির্মাণভিত্তিক কাজ আটকে রয়েছে। ঠিক তেমনই ভরা বর্ষায় ডেঙ্গু নিয়ে সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডও ব্যাহত হচ্ছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ভোট পরবর্তী সময়েই সম্পত্তি কর আদায়ের হার কমেছে বলে পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে। পুরসভার আধিকারিকদের একাংশের দাবি, বকেয়া করদাতাদের বাড়ি বা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করে কর আদায়ের প্রক্রিয়া চালানোর মতো সময়ও অনেক কর্মীর হাতে থাকছে না। যার ফলে রাজস্ব সংগ্রহের পাশাপাশি দৈনন্দিন নাগরিক পরিষেবাতেও জোর ধাক্কা খাচ্ছে। 

উল্লেখ্য, কলকাতা পুরসভার ১৪৪ ওয়ার্ডে গত বছরগুলিতে সরকারি প্রকল্পে যাবতীয় কাজ সামলে নিতেন কাউন্সিলররাই। বর্তমানে পুরবোর্ড ভেঙে যাওয়ায় সেই দায়িত্ব গিয়ে পড়েছে পুরসভার কর্মীদের উপর। তৃণমূল জমানায় 'দুয়ারে সরকার' প্রকল্পের ক্ষেত্রেও দলীয় সংগঠনকে কাজে লাগিয়েই স্বাস্থ্যসাথী, লক্ষ্মীর ভান্ডারের মতো প্রকল্পের কাজ সামলে নিতেন সংশ্লিষ্ট এলাকার কাউন্সিলররাই। সরাসরি পুরসভার কাজে সরকারি প্রকল্পের কাজের প্রভাব পড়ত না। চলতি অর্থবর্ষে কাউন্সিলররা না থাকায় এই দায়িত্ব গিয়ে পড়েছে পুরসভার বিভিন্ন দপ্তরের কাঁধে। পাড়ায় ঘুরে তারা অন্নপূর্ণা যোজনার কাজ করছেন। ১ আগস্ট থেকে জনগণনার কাজে পুরসভার কর্মী-আধিকারিকরা ব্যস্ত থাকবেন। স্বভাবতই পুরসভার অন্যান্য় কাজকর্ম শিকেয় উঠেছে। পুর-নগরোন্নয়ন দপ্তর সূত্রের খবর, কলকাতা পুরসভার পাশাপাশি অন্যান্য পুর এলাকাগুলিও একই সমস্যার সম্মুখীন।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement