গত কয়েকদিন ধরেই চর্চায় বামনেতা প্রতীক উর রহমান (Pratik Ur Rahaman)। তার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়ে দল কার্যত মুখে কুলুপ এঁটেছে। তবে দল আচরণে বুঝিয়ে দিয়েছে প্রতীক উরকে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হবে না। যদি রাজ্য কমিটির বৈঠকে প্রতীক উর প্রসঙ্গ উঠবে বলেই মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু তা হল না। শোনা গেল, দু-একটি জেলার নেতৃত্ব ছাড়া কারও মুখেই শোনা যায়নি তাঁর নাম। আদতে প্রতীক উর নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত সিপিএমও। একাংশ চাইছে তাঁর সঙ্গে কথা বলে মান ভাঙানো হোক। আরেক অংশ চাইছে, প্রকাশ্যে পার্টি লাইন ভেঙে রাজ্য সম্পাদককে আক্রমণ করার শাস্তি দেওয়া হোক তাঁকে। তবে এই মুহূর্তে স্রেফ জল মাপছে দল।
সূত্রের খবর, রাজ্য কমিটির বৈঠকে কয়েকজন নেতা নাকি বলেছেন প্রতীক উর (Pratik Ur Rahaman) প্রকাশ্যে যা বলছেন, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তার সময় এসেছে। কেউ আবার বিষয়টা নিয়ে মুখ খুলে গুরুত্ব বাড়ানোর বিরোধী। কারও কথায়, নিয়ম ভেঙে যেভাবে প্রকাশ্যে রাজ্য সম্পাদক সেলিমকে আক্রমণ করছেন প্রতীক উর, তাতে তার শাস্তি পাওয়া প্রয়োজন। কেউ আবার শাস্তির বিরোধী। কারণ, দল পদক্ষেপ করলে 'শহিদে'র স্থান পেয়ে যাবেন প্রতীক উর। তাই দল এখন শুধু দেখছে বামনেতার প্রতিটি পদক্ষেপ। কী করবেন, কী করবেন না, সেই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি প্রতীক উরের উপরই ছাড়ছে দল। তাঁর পদক্ষেপের উপর ভিত্তি করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সেই কারণেই এখনই পর্যন্ত প্রতীক উরকে বহিষ্কারের পথে হাঁটছে না লালপার্টি।
রাজ্য কমিটির বৈঠকে কয়েকজন নেতা নাকি বলেছেন প্রতীক উর প্রকাশ্যে যা বলছেন, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তার সময় এসেছে। কেউ আবার বিষয়টা নিয়ে মুখ খুলে গুরুত্ব বাড়ানোর বিরোধী। কারও কথায়, নিয়ম ভেঙে যেভাবে প্রকাশ্যে রাজ্য সম্পাদক সেলিমকে আক্রমণ করছেন প্রতীক উর, তাতে তার শাস্তি পাওয়া প্রয়োজন। কেউ আবার শাস্তির বিরোধী।
উল্লেখ্য, রাজ্য কমিটির বৈঠকে রাজ্য বাজেট থেকে শুরু করে একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। রাজ্য বাজেটে যেভাবে সমস্ত স্তরের মানুষকে ছুঁয়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সেটা ভোটের আগে পার্টিকে চাপে ফেলে দিয়েছে, তা মেনে নিয়েছেন নেতারাও। ফলে ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে খুব ভালো ফলের আশা করছে না সিপিএম। সব আসনে জোরও দিচ্ছে না আলিমুদ্দিন। রাজ্য কমিটির বৈঠকের প্রথমদিনেই তা স্পষ্ট। ভালো ফল হতে পারে, আশার আলো রয়েছে সেরকম আসনেই পরিচিত মুখ তথা হেভিওয়েট প্রার্থী দিতে চাইছে দল। আর সেই মতোই প্রার্থী তালিকা দ্রুত চূড়ান্ত করতে বলা হয়েছে।
