shono
Advertisement
Jadavpur University

যাদবপুর ক্যাম্পাসেই অবাধ যৌনতা! ভাইরাল পুরনো ভিডিও, নীরব সব ছাত্র সংগঠন

সম্প্রতি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংঘর্ষের ঘটনার পর পুরনো ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ায় নতুন করে সমালোচনা শুরু হয়েছে।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 07:42 PM Aug 29, 2026Updated: 07:43 PM Aug 29, 2026

ছাত্র সংঘর্ষের পর এবার পুরনো ভিডিও ভাইরাল ঘিরে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। ক্যাম্পাসের ভিতর খোলা প্রেক্ষাগৃহে অবাধ যৌনতা! বছর খানেকের পুরনো ভিডিওটি ভাইরাল হতেই ফের নতুন করে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। যদিও ভিডিওতে দেখা দুই অবয়বের পরিচয় স্পষ্ট নয়, তারা আদৌ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া কিনা, সেসব অজানা, তাই ওই ভিডিও নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ এসএফআই, এবিভিপি, এআইডিএসও, ফেটসু-সহ সবক'টি ছাত্র সংগঠন।

Advertisement

সম্প্রতি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপেন এয়ার থিয়েটারে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। প্রায়ান্ধকারে তোলা ভিডিওটিতে একজন পুরুষকে দেখা যাচ্ছে, সঙ্গীকে প্রায় বোঝা যাচ্ছে না। তারা যে যৌনতায় মত্ত, সেটা পরিষ্কার। কে বা কারা ওই কাজে লিপ্ত, কারাই বা ভিডিও তুলে ভাইরাল করেছে, সেসবই অজানা। ভিডিওটি বছর খানেক আগেকার বলে জানা গিয়েছে। তবে এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংঘর্ষ, গেটে বসানো নন্দলাল বসুর আঁকা এমব্লেম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া, অশান্তির তদন্তে ক্যাম্পাসে পুলিশ প্রবেশ-সহ ধারাবাহিক ঘটনার মাঝে পুরনো ভিডিওটি ফের ভাইরাল হওয়া নিয়ে নতুন করে দানা বেঁধেছে বিতর্ক। কেউ এর তীব্র সমালোচনা করে জানাচ্ছেন, ক্যাম্পাসকে কলুষিত করার জন্য ওই ভিডিও নতুন করে ভাইরাল করা হয়েছে। এর নেপথ্যে যারা, তারা কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভালো চায় না।

আবার আরেক পক্ষের মত, ওপেন এয়ার থিয়েটারের যে ভিডিওটি এখন সোশাল মিডিয়ায় ঘুরছে, তা দেখে চুপ থাকা দায়। তাদের মত, পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে, কেন যাদবপুর ক্যাম্পাসে পড়ুয়ারা সিসিটিভি লাগাতে দিতে চায় না। আসলে আড়ালে এসব অপকর্ম চালু রাখার জন্যই কি এত নাটক? মুক্ত চিন্তার নাম করে ক্যাম্পাসে চূড়ান্ত নোংরামি চলে। তা বরদাস্ত করা যায় না। গেরুয়াপন্থী ছাত্র সংগঠনের মত, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচিত, ভণ্ডামি বন্ধ করে অবিলম্বে এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। প্রতিষ্ঠানটা পড়ার জায়গা, কারও ফুর্তি করার গোপন আড্ডার জায়গা নয়!

উল্লেখ্য, শুক্রবার যাদবপুরে '১০ হাজার কণ্ঠে বন্দে মাতরম' অনুষ্ঠানের মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কার্যত হুঁশিয়ারির সুরে বলেছিলেন, ‘‘আজাদি স্লোগান কীসের জন্য? কীসের আজাদি চায়? হেরোইন, গাঁজা খাওয়ার আজাদি? জানি কোথায় কী হয়। দরকারে ড্রোন উড়িয়ে নজরদারি চলবে। সব বন্ধ করে দেওয়া হবে।'' তারপর ক্যাম্পাসে যৌনতার পুরনো ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় অনেকের মত, এবার আরও দ্রুত ও কড়া অ্যাকশন নেবে রাজ্য সরকার।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement