পুত্রবধূর চিকিৎসার ব্যবস্থা করিয়ে দেওয়ার নাম করে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে সাড়ে আট লাখ টাকা হাতানোর অভিযোগ। এই ঘটনায় এক মহিলা-সহ দু’জনের বিরুদ্ধে মধ্য কলকাতার পোস্তা থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পোস্তার কালীকৃষ্ণ টেগোর স্ট্রিটের ওই ব্যবসায়ী আদালতে এই ব্যাপারে অভিযোগ জানান। আদালতের নির্দেশেই মামলা দায়ের হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত ওই মহিলা এক চিকিৎসকের আওতায় কাজ করেন। ব্যবসায়ীর পুত্রবধূ বহুদিন ধরেই কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন। পুত্রবধূর চিকিৎসার জন্যই ওই মহিলার সঙ্গে ব্যবসায়ীর যোগাযোগ হয়। ওই মহিলা ও তাঁর সঙ্গী পুত্রবধূর চিকিৎসার ব্যবস্থা করবেন বলে জানান। ২০২৩ সালে ওই যুগল ব্যবসায়ীকে জানান, তাঁর পুত্রবধূর চিকিৎসা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন পরীক্ষার রিপোর্ট ও ওষুধের জাল নথিও তাঁকে দেখানো হয়। জাল নথি দেখিয়ে তাঁর কাছ থেকে তিন বছরে সাড়ে আট লাখ টাকা হাতানো হয় বলে অভিযোগ।
কিন্তু তিন বছর কেটে যাওয়ার পরও ওই বধূর শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় ব্যবসায়ীর সন্দেহ হয়। তিনি ওই রিপোর্ট ও নথিগুলি যাচাই করতে থাকেন। তাতেই দেখা যায় যে, সেগুলি জাল। গত তিন বছর তাঁর পুত্রবধূর কোনও চিকিৎসাই হয়নি বলে ব্যবসায়ীর অভিযোগ। এই ব্যাপারে ওই যুগলের সঙ্গে তাঁর বচসা হয়। তিনি টাকা ফেরত চান। যুগল টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করেন। এর পরই ব্যবসায়ী আইনি ব্যবস্থা নেন। তারই ভিত্তিতে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
