জোর করে যৌনপল্লির ঘরে নিয়ে গিয়ে অনলাইনে টাকা লুঠ! ৮৯ হাজার টাকা লুঠ করার অভিযোগে পুলিশের (Kolkata Police) হাতে গ্রেপ্তার হল তিন মহিলা। অভিযোগ, ওই তিন মহিলাই যৌনকর্মী। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম পম্পা দাস, প্রিয়াঙ্কা দাস ও দীপা দাস। কীভাবে এই ঘটনা তা জানতে ইতিমধ্যে ধৃত তিন মহিলাকে জেরা শুরু করেছে পুলিশ।
সোনাগাছিতেই (Sonagachi) লুকিয়ে প্রতারণার ফাঁদ! অভিযোগকারী যুবক বড়তলা থানায় অভিযোগ জানান যে, তিনি রাস্তা দিয়েই হেঁটে যাচ্ছিলেন। তখনই তাঁকে জোর করে ওই মহিলারা একটি ঘরের ভিতর নিয়ে যায়। তাঁর মোবাইল কেড়ে নেওয়া হয়। মহিলারা তাঁকে টাকা দিতে বলে। যুবক জানান, তাঁর কাছে বেশি টাকা নেই। তখনই তাঁকে মারধর করতে শুরু করে মহিলারা। তাঁকে ব্ল্যাকমেল করা শুরু হয়। শুধু তাই নয়, ধৃত তিন মহিলা নাকি ওই যুবককে জানায়, বাড়িতে ভিডিও কল করে দেখিয়ে দেওয়া হবে যে, তিনি যৌনপল্লিতে রয়েছেন। এরপরেই অনলাইনে টাকা দিতে তাঁকে চাপ দেওয়া হয়। এমনকী তাঁর উপর চাপ সৃষ্টি করে মহিলারা পিন নম্বরও জেনে নেয় বলে অভিযোগ। এর পরেই ধাপে ধাপে ধৃত তিনজন নিজেদের অ্যাকাউন্টে যুবকের অ্যাকাউন্ট থেকে ৮৯ হাজার টাকা পাঠিয়ে নেয় বলে দাবি প্রতারিত ওই যুবকর।
কোনও রকমে যৌনপল্লি থেকে বেরিয়ে আসার পরই স্থানীয় বড়তলা থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ। ওই যুবককে সঙ্গে নিয়েই অভিযানে নামেন তদন্তকারীরা। যৌনপল্লির যে ঘরে এই কাণ্ড ঘটে সেখানে ওই যুবককে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রথমে ঘর এবং পরে অভিযুক্ত তিন মহিলাকেও শনাক্ত করা হয়। এরপরেই পুলিশ হাতেনাতে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। তবে কলকাতার এই যৌনপল্লিতে এই ঘটনা নতুন নয়, এর আগেও একইভাবে প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে। ফলে ধৃত তিন মহিলা এর আগেও একই পদ্ধতিতে লুঠপাট চালিয়েছে কি না, তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন পুলিশ আধিকারিকরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
