মাধ্যমিক মানে ছাত্রছাত্রীদের জীবনে প্রথম বড় পরীক্ষা। খুব ভালো প্রস্তুতির পরও তা নিয়ে হাজার টেনশন থাকে পরীক্ষার্থীদের। সময়মতো পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছতে পারবে কিনা, প্রশ্নপত্র কতটা কঠিন হবে, ঠিকমতো উত্তর লিখতে পারবে কি না - তালিকা ক্রমশ দীর্ঘ। তাদের এই টেনশন কিছুটা কমিয়ে দিতে প্রতি বছরের মতো এবারও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল রাজ্য সরকার। মাধ্যমিক পরীক্ষার দিনগুলিতে কলকাতা ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে মিলবে বিশেষ বাস পরিষেবা। ১৫টি বিভিন্ন রুটে অন্তত ২০টি অতিরিক্ত বাস চলবে মাধ্যমিক পরীক্ষার ৮দিন। ফলে সময়মতো পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছনো নিয়ে অন্তত চিন্তা করতে হবে না পরীক্ষার্থী বা অভিভাবকদের। ঘড়ি ধরে বাড়ি থেকে বেরলে মসৃণভাবেই নিজের গন্তব্যে পৌঁছে যাবে।
আগামী ২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে এবছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা। শেষ হবে ১২ তারিখ। মাধ্যমিক পরীক্ষার দিন - ২ ফেব্রুয়ারি, ৩ ফেব্রুয়ারি, ৬ ফেব্রুয়ারি, ৭ ফেব্রুয়ারি, ৯ ফেব্রুয়ারি, ১০ ও ১২ ফেব্রুয়ারি। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পরিবহণ দপ্তর শনিবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে, মাধ্যমিকের দিনগুলিতে উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতা থেকে নিকটবর্তী শহরতলির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় চলবে বিশেষ বাস। সেসব রুটের বিস্তারিত জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। দেখে নিন একনজরে -
- বালিগঞ্জ থেকে এসপ্ল্যানেড রুটে চলবে অতিরিক্ত ২ টি বাস
- হরিদেবপুর-হাওড়া স্টেশন রুটে ১টি অতিরিক্ত বাস
- ঠাকুরপুকুর থেকে শিয়ালদহ পর্যন্ত মিলবে ১টি অতিরিক্ত বাস
- ঠাকুরপুকুর থেকে হাওড়া রুটে মিলবে বাড়তি ১টি বাস
- কাঁকুড়গাছি থেকে বেহালা রুটে চলবে অতিরিক্ত ২টি বাস
- কুঁদঘাট-দক্ষিণেশ্বর রুটে চলবে ১টি অতিরিক্ত বাস
- দক্ষিণেশ্বর-এসপ্ল্যানেড রুটে অতিরিক্ত ১টি বাস মিলবে
- গড়িয়া থেকে হাওড়া স্টেশন পর্যন্ত চলবে অতিরিক্ত ৪টি বাস
- যাদবপুর-হাওড়া রুটে চলবে ১টি অতিরিক্ত বাস
- বারাকপুর থেকে হাওড়া পর্যন্ত মিলবে বাড়তি ১টি বাস
- সরশুনা থেকে হাওড়া রুটে ১টি অতিরিক্ত বাস মিলবে
- দমদম বিমানবন্দর থেকে এসপ্ল্যানেড পর্যন্ত মিলবে ১টি বাড়তি বাস
- নিউটাউন-শিয়ালদহ রুটে মিলবে অতিরিক্ত ২টি বাস
- ডানলপ থেকে বালিগঞ্জ পর্যন্ত চলবে ১টি বাড়তি বাস
পরীক্ষা শুরু হয় সকাল ১০টা ৪৫ থেকে। শেষ হয় দুপুর ২টোয়। সপ্তাহের কর্মব্যস্ত দিনগুলোয় এই সময়ে এমনিতে পথঘাটে বেশ যানজট থাকে। তা এড়িয়ে সময়মতো পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছনো বেশ টেনশনের। কিন্তু পরিবহণ দপ্তরের অতিরিক্ত বাসের দৌলতে নিশ্চিন্তে থাকতে পারে পরীক্ষার্থীরা।
