এসআইআর নিয়ে মানুষের হয়রানির শেষ নেই। ছোট সমস্যাতেও শুনানির নোটিস পাঠানো হচ্ছে বলে অভিযোগ। এমনকী নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন, ক্রিকেটার মহম্মদ শামি, দীপক অধিকারীকে শুনানির নোটিস পাঠানো হয়েছে। সম্প্রতি ঝুলন গোস্বামীকে শুনানির নোটিস পাঠানো হয়েছে। আর তা উল্লেখ করে একযোগে বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনকে একহাত নিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। শুধু তাই নয়, বঙ্গ সফরে থাকা অমিত শাহকে তাঁর প্রশ্ন, ''মুখে শুধুই ঘুসপেটিয়া। আর ঘুসপেটিয়ার নমুনা কি অমর্ত্য সেন, মহম্মদ শামি, দীপক অধিকারী, ঝুলন গোস্বামী ?'' পাশাপাশি এদিন উন্নয়নের প্রশ্নেও শাহকে আক্রমণ করে শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি জানান ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।
বঙ্গ সফরে থাকা অমিত শাহকে তাঁর প্রশ্ন, ''মুখে শুধুই ঘুসপেটিয়া। আর ঘুসপেটিয়ার নমুনা কি অমর্ত্য সেন, মহম্মদ শামি, দীপক অধিকারী, ঝুলন গোস্বামী ?'' উন্নয়নের প্রশ্নেও শাহকে আক্রমণ করে শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি জানান ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ।
সামনেই বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই ফের বাংলায় অমিত শাহ। বারাকপুর এবং শিলিগুড়িতে সভা করেন তিনি। আর সেই সভা থেকে ফের একবার অনুপ্রবেশ ইস্যুতে তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ শানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পালটা কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে তার জবাব দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। কেন এখনও বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গাদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হল না তা নিয়েও তোপ দাগেন। তিনি বলেন, ''গত ৩১ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনে গিয়ে বাংলাদেশি, রোহিঙ্গাদের তালিকা প্রকাশের দাবি করেছিলাম। কিন্তু একমাস হলেও তা প্রকাশ করেনি।'' উলটে বাংলায় কথা বলায় বিভিন্ন জায়গায় বাংলাদেশি বলে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বাংলা সংস্কৃতিকে অপমান করা হচ্ছে বলে আক্রমণ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
পাশাপাশি এখনও পর্যন্ত লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সির তালিকা প্রকাশ নিয়েও কমিশনকে তোপ দাগেন তিনি। অন্যদিকে এদিন মতুয়াদের ভয় দেখানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন অমিত শাহ। তারও এদিন জবাব দেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। তিনি বলেন, ''ওদের নেতারাই মতুয়াদের নিয়ে ভয় দেখাচ্ছে।'' এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর, অসীম সরকারের বক্তব্যকে হাতিয়ার করে পালটা শাহকে তোপ দাগেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বিজেপি নেতারাই কেউ বলেছেন এক লক্ষ নাম গেলে বাদ যাবে, কেউ বলেছেন পাঁচ লক্ষ মতুয়া ভাইয়ের নাম বাদ গেলে বাদ যাবে। কেউ বলেছেন এক কোটি বাঙালির নাম বাদ যাবে।'' তৃণমূল তো এমন কিছু বলেনি, শাহকে তোপ অভিষেকের।
