বঙ্গ বিধানসভা ভোটের পরেই তৃণমূলে শুরু হয়েছে মুষলপর্ব। একের পর এক বিধায়ক মুখ খুলতে শুরু করেছেন। এমনকী ঘর ভাঙার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এর মধ্যেই আজ, মঙ্গলবার পথে নামছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ভোট পরবর্তী হিংসা, হকার উচ্ছেদ-সহ একাধিক অভিযোগকে সামনে রেখে এদিন তাঁর ধরনায় বসার কথা। তবে ধরনার স্থান নিয়ে রয়েছে জটিলতা। পুলিশের তরফে রানি রাসমনি রোডে ধরনায় বসার অনুমতি দেওয়া হয়নি। তার জায়গায় ওয়াই চ্যানেলে দু'ঘণ্টার জন্য অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে পুলিশের তরফে। যদিও এক্ষেত্রে তৃণমূল নেত্রীর হুঙ্কার, পুলিশ যেখানে আটকাবে সেখানেই বসে ধরনা হবে। তাঁর কথায়, “গ্রেপ্তার করার হলে করুন। মারলে মার খাব।”
এই প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোমবার আরও জানান, "তৃণমূল নেতাকর্মীদের রাস্তায় আটকে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। কেউ না থাকলে আমি একাই যাব। যেখানে আটকাবে সেখানেই বসে ধরনা করব। সেটাই ধরনাস্থল হবে। গ্রেপ্তার করার হলে করুন। মারলে মার খাব। বাংলায় আমায় গণতান্ত্রিক আন্দোলন করতে না দিলে দিল্লিতে গিয়ে আন্দোলন করব।' মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলীয় নেতৃত্বকে এও জানিয়ে দিয়েছেন, মিটিং না করতে দিলে। কোর্টে কেউ অনুমতি নিতে যাবে না।
এই প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোমবার আরও জানান, "তৃণমূল নেতাকর্মীদের রাস্তায় আটকে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। কেউ না থাকলে আমি একাই যাব। যেখানে আটকাবে সেখানেই বসে ধরনা করব। সেটাই ধরনাস্থল হবে। গ্রেপ্তার করার হলে করুন। মারলে মার খাব। বাংলায় আমায় গণতান্ত্রিক আন্দোলন করতে না দিলে দিল্লিতে গিয়ে আন্দোলন করব।'
রবিবার কালীঘাটে নিজের কার্যালয়ে দলের বিধায়কদের মিটিংয়ে ডেকেছিলেন মমতা (Mamata Banerjee)। কিন্তু ৮০ জনের মধ্যে ২০ জন কোনওক্রমে এসেছিলেন। তৃণমূলের দাবি ছিল, বাকিরা নিজেদের এলাকায় 'বিজেপির সন্ত্রাস'-এর পরিস্থিতিতে দলের কর্মীদের পাশে আছেন। কিন্তু অন্য একটি সূত্রে দাবি করা হয়, যে সিংহভাগ বিধায়ক আসেননি, তাঁরা নেতৃত্বের উপর ভরসা রাখতে পারছেন না বলে আসেননি। এই অবস্থায় কিছুটা মুখরক্ষায় পাল্টা দু'দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন মমতা। জানিয়েছিলেন, সোমবার ব্লকে প্রতিবাদ হবে। মঙ্গলবার তিনি নিজে নামবেন। সোমবারের কোনও কর্মসূচির খবর সেভাবে আসেনি। তার মধ্যেই মঙ্গলবারের কর্মসূচি নিয়ে তৈরি হয় অনিশ্চয়তা। এহেন জল্পনার মধ্যেই সোমবার নিজের ফেসবুক থেকে লাইভে আসেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
সেখানে বিজেপি সরকারকে নিশানা করে বলেন, "আমাকে ছেড়ে রাখলে বিপদ আছে। কারণ আমি মাথা নত করি না। আমকে আপনারা মেরে ফেলতে পাবেন। আমার কণ্ঠ স্তব্ধ করে দিতে পারেন।" এর পরই তাঁর মিটিংয়ের জনা পুলিশ অনুমতি দিচ্ছে না সে প্রসঙ্গ তুলে প্রশাসনকে নিশানা করে বলেন, "কোনও মিটিং মিছিল করতে পারমিশন দিচ্ছেন না। সাতদিন আগে অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। পুলিশকে ইনফরমেশন দিতে হয়, দিয়েছি। সিইএসসির পারমিশন চেয়েছি। রানি রাসমণি আভিনিউতে মঞ্চ তৈরি করার কাজ করতে গেলে বাধা দেয় পুলিশ। জানানো হয়, ওই এলাকায় ধরনা। কর্মসূচি করা যাবে না।" এর পরই দলের কর্মীদের মমতার আহ্বান, "মঙ্গলবার দুপুর ১ টায় সকলে কর্মসূচিতে আসুন, যাঁরা আসতে পারবেন। আমি নিজে ২টোর মধ্যে পৌঁছব। পুলিশ আটকালে সেখানেই বসে পড়ব।''
