ভোটে ভরাডুবির পর থেকেই একের পর এক ধাক্কা। দলেরক নেতারাই তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে খড়গহস্ত। দুর্নীতির দায়ে সংক্রমণের মতো বেড়ে চলেছে ছোট-বড় নেতাদের গ্রেপ্তারি। এই আবহেই কলকাতা পুরসভাও এবার তৃণমূলের হাতের বাইরে যেতে বসেছে। এবার পদত্যাগ করতে চলেছেন কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ। এর আগে কলকাতা পুরসভার দুই বরো চেয়ারম্যান পদত্যাগ করেছিলেন। মঙ্গলবার কলকাতা পুরসভার বোর্ড থেকে পদত্যাগ করতে চলেছেন মেয়র পারিষদ তারক সিং।
ভোটে ভরাডুবির পর ভাঙন ক্রমশই চওড়া হচ্ছে কলকাতা পুরসভায়। শুরু হয়েছে টানাপোড়েন। বাতিল হয়েছে পুরসভার মাসিক অধিবেশন। মেয়র পারিষদের বৈঠকও হয়নি। এবার কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ পদে ইস্তফা দিতে পারেন তারক সিং। আজ বিকেল ৪ টে নাগাদ নিজের দফতর থেকে পদত্যাগ করতে পারেন তিনি।
ভোটে ভরাডুবির পর ভাঙন ক্রমশই চওড়া হচ্ছে কলকাতা পুরসভায়। শুরু হয়েছে টানাপোড়েন। বাতিল হয়েছে পুরসভার মাসিক অধিবেশন। মেয়র পারিষদের বৈঠকও হয়নি। কলকাতা পুরসভার তরফে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১৭ সম্পত্তির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে কলকাতা পুরসভার নোটিস যেতেই তৃণমূলের অন্দরে চাপানউতোর আরও বাড়ে। শোনা গিয়েছিল, দলের উচ্চ নেতৃত্বের চাপের মুখেই ৯ নম্বর বরোর চেয়ারপার্সন দেবলীনা বিশ্বাস পদত্যাগ করেছিলেন। এরপরই বরো চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন কসবার ১০৮ নং ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ। গত বুধবার তিনি নিজের ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছেন। অন্যদিকে, কলকাতা পুরসভার অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন দক্ষিণ কলকাতার কাউন্সিলর অরূপ চক্রবর্তী। তিনিও এই পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। এবার কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ পদে ইস্তফা দিতে পারেন তারক সিং। আজ বিকেল ৪ টে নাগাদ নিজের দফতর থেকে পদত্যাগ করতে পারেন তিনি। বেশ কয়েকদিন ধরেই বেসুরো ছিলেন তারক সিং। দলের ডাকা বৈঠকেও যাচ্ছিলেন না। এক সপ্তাহে দু’বার তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে কলকাতা পৌরসভার কাউন্সিলর ও মেয়র পারিষদ সদস্যদের নিয়ে বৈঠকেও তিনি উপস্থিত ছিলেন না। সম্প্রতি দলের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনায় বিদ্ধ করেছিলেন দলের সুপ্রিমো এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে। এবার
সূত্রের খবর, নির্বাচনে ভরাডুবির পর থেকেই নাকি মেয়র ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। সে কারণে সম্ভবত প্রশাসনিক অচলাবস্থা পরিস্থিতি। আর অনেকেই মনে করছেন, এভাবে প্রশাসনিক টানাপোড়েন চলতে থাকলে বিরোধী পরিচালিত পুরবোর্ড কতদিন স্বাভাবিকভাবে কাজ চালাতে পারবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিশেষ করে নাগরিক পরিষেবা এবং উন্নয়নমূলক কাজের ক্ষেত্রে প্রভাব পড়তে পারে। এই পরিস্থিতিতে জোর জল্পনা মেয়র পদে কতদিন থাকবেন তৃণমূলের ববি?
