shono
Advertisement
Narendra Modi

'আদিবাসী সন্তানকে রাষ্ট্রপতি পদে সহ্য করতে পারে না তৃণমূল', দ্রৌপদী মুর্মুকে 'অপমানে' গর্জে উঠলেন মোদি

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে 'অপমানে' সরব প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে সভামঞ্চ থেকে রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ করলেন তিনি। কেবল দ্রৌপদী মুর্মুকে অপমান করা নয়, তৃণমূল আদিবাসী সমাজকেই অপমান করেছে।
Published By: Suhrid DasPosted: 04:45 PM Mar 14, 2026Updated: 05:17 PM Mar 14, 2026

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে 'অপমানে' সরব প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডের সভামঞ্চ থেকে রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ করলেন তিনি। কেবল দ্রৌপদী মুর্মুকে অপমান করা নয়, তৃণমূল আদিবাসী সমাজকে অপমান করেছে। এমনই জোরালো বার্তা দিলেন মোদি। সংবিধানের অপমান করা হয়েছে। সেই অভিযোগও এদিন করেন প্রধানমন্ত্রী।

Advertisement

প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে গিয়েছিলেন। সেখানে রাজ্যের তরফে কোনও প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না। অনুষ্ঠানের জায়গাও বদল করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। এই বিষয়ে খোদ রাষ্ট্রপতি নিজেই উষ্মাপ্রকাশ করেছিলেন। ওই ইস্যুতে কেন্দ্র-রাজ্য বিবাদে ঝড় ওঠে। প্রধানমন্ত্রী আগেই ওই ঘটনা নিয়ে তীব্র ক্ষোভপ্রকাশ করেছিলেন। এদিন ব্রিগেডের সভা থেকে এই ইস্যুতে আরও একবার সুর চড়ালেন মোদি। 

ঘটনার সূত্রপাত রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর উত্তরবঙ্গ সফর ঘিরে। একটি বেসরকারি সংস্থার আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দিনে উত্তরবঙ্গে আসেন রাষ্ট্রপতি মুর্মু। সেই অনুষ্ঠানের সভাস্থল বদল ও প্রোটোকল ভাঙা নিয়ে জলঘোলা হয়। ক্ষোভপ্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি। জবাব দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। যা নিয়ে উত্তাল হয় রাজ্য রাজনীতি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক রিপোর্টও তলব করে। সেই ঘটনার পরই পুলিশ কমিশনার ও জেলাশাসককে ডেপুটেশনে চাইল কেন্দ্র। তাঁদের ছাড়া নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে বলেই খবর।

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে 'অপমান' ইস্যুতে গর্জে উঠেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। শিলিগুড়ির ঘটনার প্রেক্ষিতে তৃণমূলকে ‘অহংকারী’, ‘ঘৃণ্য রাজনীতি’র জনক বলে তোপ দাগেন তিনি। গত রবিবার দিল্লিতে মেট্রো প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে কড়া সুরে তৃণমূলকে আক্রমণ শানান তিনি। মোদি বলেন, “আমাদের দেশে একটি প্রবাদ রয়েছে। বলা হয়, যে যতই শক্তিশালী হোক না কেন অহংকার তাঁর পতন ঘটাবেই। আমি দেশের রাজধানী থেকে সকলকে বার্তা দিচ্ছি, তৃণমূলের নোংরা রাজনীতি ও ক্ষমতার অহংকার শীঘ্রই ভেঙে যাবে। ওরা দেশের আদিবাসী রাষ্ট্রপতিকে অপমান করেছে। বাংলার শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ একজন আদিবাসী মহিলা, দেশের রাষ্ট্রপতির এই অপমান কোনওভাবেই ক্ষমা করবেন না।” 

এদিন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডের সভামঞ্চ থেকে ওই ইস্যুতেই গর্জে উঠলেন প্রধানমন্ত্রী। তৃণমূলকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, "কয়েকদিন আগেই আমাদের রাষ্ট্রপতি আদিবাসী সমাজের প্রতিনিধি রাজ্যে এসেছিলেন। সাঁওতাল সমাজের একটি অনুষ্ঠানে এসেছিলেন। এই সরকার তাঁর এই সম্মান বরদাস্ত করতে পারেনি। আমি দুঃখিত এমন ঘটনা ঘটেছে।" এরপরই সুর চড়িয়ে মোদি বলেন, "তৃণমূল মনে রাখুক, ওরা শুধু দ্রৌপদী মুর্মুকে অপমান করেনি, ওরা আদিবাসীদের অপমান করেছে। সংবিধানের অপমান করেছে। অরাজকতা তৈরি করেছে এই সরকার।" প্রধানমন্ত্রী আরও অভিযোগ করেন, "নির্বাচন কমিশন যখনই স্বচ্ছভাবে নির্বাচন করাতে চায় তখনই, এরা বাধা দেয়।"

 

 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement