রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: বিজেপির বঙ্গ সঙ্গীত মেলার অনুমতি দিল না পুলিশ। দেরিতে আবেদন করার ফলেই অনুমতি মিলল না। শনিবার প্রিন্সেপ ঘাটে এই সংগীতানুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। এদিন সকালেই পুলিশের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয় অনুষ্ঠানের অনুমতি দেওয়া যাবে না। অনুমতি না মেলায় সঙ্গীত উৎসব বাতিল করে দেওয়া হয়।
এদিন প্রিন্সেপ ঘাটে ‘কালচারাল অ্যান্ড লিটেরারি ফোরাম অফ বেঙ্গল’—এর ব্যানারে এই সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। এর সভাপতি বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি। বিজেপির তরফে আয়োজিত এই মেলার উদ্যোক্তা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। জিতেন্দ্র তিওয়ারির বক্তব্য, “হঠাৎ করে পুলিশ বলল, অনুমতি নেই। আরও আগে জানানো উচিত ছিল বলে পুলিশ বলছে।” তৃণমূলের দিকে আঙুল তুলে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, গায়ের জোরে এই অনুষ্ঠান বাতিল করে দেওয়া হল। শুভেন্দুর এই অভিযোগকে অবশ্য গুরুত্ব দেয়নি শাসকদল।
[আরও পড়ুন: ‘রাম কে নাম’ বড় অনুদান অক্ষয়-হেমা মালিনীর, মন্দিরে ইট দিয়েছেন অনুপম, কে কত দিলেন?]
তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষের পাল্টা বক্তব্য, “ওই জায়গায় হয়তো গঙ্গাসাগর ফেরত সাধুরা রয়েছেন বা অন্য কোনও প্রশাসনিক সমস্যা রয়েছে, কী করা যাবে। ব্রিগেডে তো ২৭ হাজার লোক নিয়ে গীতাপাঠ করল। কেউ তো বারণ করতে যায়নি। খোলা আকাশের নিচে গাইবেন।” এর পরই শুভেন্দুকে উদ্দেশ্য করে কুণালের কটাক্ষ, “শুভেন্দুর গান মানে সাত সুর তো বেরোয় না। শুভেন্দুর গান হচ্ছে তৃতীয় সুর আর ষষ্ঠ সুর, অর্থাৎ ‘গা’ আর ‘ধা’। তৃতীয় সুর, ষষ্ঠ সুর, শুভেন্দু চলল কত দূর।”
রাজ্য সরকারের সঙ্গীত মেলার পালটা এই সঙ্গীত উৎসব করার চেষ্টা করেছিল বিজেপি। কিন্তু দিনের দিনই তাতে জল পড়ে গেল। এদিন অনুমতি না মেলায় বিজেপির এই সংগীত মেলা সরস্বতী পুজোর পর কোনও অডিটোরিয়ামে হবে বলে জানানো হয়েছে আয়োজকদের তরফে।
