shono
Advertisement
SIR in West Bengal

SIR-এ বৈধ আধার ও মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড! কমিশনকে ধাক্কা দিয়ে বড় সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টের

তাছাড়াও আদালত জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করতে হবে। তারপর যে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করা হবে সেটিও চূড়ান্ত তালিকার মধ্যে ধরতে হবে।
Published By: Subhankar PatraPosted: 05:47 PM Feb 24, 2026Updated: 06:26 PM Feb 24, 2026

ফের সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেল নির্বাচন কমিশন! আধার কার্ড ও মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণযোগ্য নথি বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। সঙ্গে শীর্ষ আদালত আরও জানিয়েছে, গত বছর অক্টোবর মাসের ২৭ তারিখ নির্বাচন কমিশন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে যে ১২টি নথির কথা বলেছিল, সেই নথিগুলি বিবেচনা করা হবে। এ ছাড়াও একগুচ্ছ নির্দেশিকা দিয়েছে আদালত। তৃণমূলের দাবি, আদালতে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সব দাবি মান্যতা পেয়েছে।

Advertisement

আজ, মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর (SIR in West Bengal) সংক্রান্ত একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানি ছিল। সেই শুনানিতে একাধিক নির্দেশিকা দিয়েছে আদালত। কী কী নথি গ্রহণ করা হবে সেই নির্দেশিকায় আধার কার্ড নিয়ে আদালত জানিয়েছে বিহারে এসআইআরের সময় সুপ্রিম কোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছে, সেই অনুযায়ী আধার কার্ড পরিচয়ের প্রমাণ হিসাবে গ্রহণ করতে হবে। তাছাড়াও, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে গ্রহণের কথা বলেছে। উল্লেখ্য, ১৯ জানুয়ারি আদালত মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে গ্রহণযোগ্য নথি হিসাবে গণ্য করেছিল। এদিনও সেই রায় দিয়েছেন বিচারকরা।

তাছাড়াও আদালত জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করতে হবে। তারপর যে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করা হবে সেটিও চূড়ান্ত তালিকার মধ্যে ধরতে হবে। শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী বলেছেন, তাঁদের নিজের সিদ্ধান্তে সার্কুলার ও নির্দেশ জারি করার ক্ষমতা আছে। সুপ্রিম কোর্ট তা মানেনি। আদালত মনে করিয়ে দিয়েছে যে, বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরাই চূড়ান্ত কর্তৃপক্ষ। অন্য কেউ কোনও নির্দেশ জারি করতে পারে না।

এ ছাড়াও, সময়মতো কাজ শেষ করে ২৮ ফেব্রুয়ারি যাতে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা যায়, তার জন্য দরকারে ভিনরাজ্যের আধিকারিক নিয়োগ করা হোক। এমনই নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। এ প্রসঙ্গে ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা থেকে জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগের পরামর্শ বিচারপতিদের। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের এই নির্দেশ নিয়ে আপত্তি তোলেন রাজ্যের তরফে আইনজীবী তথা তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সওয়াল, ভিন রাজ্যের অফিসাররা বাংলা বুঝতে পারবেন না, কাজে সমস্যা হবে। তাতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের দাবি, একসময়ে পশ্চিমবাংলা-সহ গোটা অঞ্চলে বাঙালি সংস্কৃতি চলত। সেখানকার মানুষজন বাংলায় সাবলীল। তাই কাজে সমস্যা হওয়ার কথা নয়।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement