shono
Advertisement
SIR in West Bengal

ভোটারদের নথি গ্রাহ্য করছে না কমিশন! SIR নিয়ে জ্ঞানেশ কুমারকে পঞ্চম চিঠি মমতার

সোমবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে লেখা চিঠিতে মমতার আবারও অভিযোগ, এই পদ্ধতি একেবারেই ভিত্তিহীন, বেঠিক।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 02:45 PM Jan 12, 2026Updated: 04:59 PM Jan 12, 2026

এসআইআরের শুনানি পর্বে ভোটারদের হয়রানির শেষ নেই। তাঁদের দেওয়া নথিপত্র নির্বাচন কমিশন গ্রাহ্যই করছে না, প্রাপ্তিস্বীকারও করছে না। এই অভিযোগ তুলে দিল্লির কমিশনকে পঞ্চম চিঠি পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে লেখা চিঠিতে তাঁর আবারও অভিযোগ, এই পদ্ধতি একেবারেই ভিত্তিহীন, বেঠিক। এভাবে কাজ চললে যে কোনও সময়ে যে কোনও ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ে যাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এর আগে গত শনিবার, মাত্র ২ দিন আগেই শুনানির নোটিস সংক্রান্ত বিষয়ে নিজের আপত্তির কথা জানিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি লিখেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement

সোমবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে লেখা চিঠিতে তাঁর আবারও অভিযোগ, এই পদ্ধতি একেবারেই ভিত্তিহীন, বেঠিক। এভাবে কাজ চললে যে কোনও সময়ে যে কোনও ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ে যাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

এই মুহূর্তে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজে শুনানি পর্ব চলছে। যাঁদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে, তাঁদের কাছে নির্দিষ্ট কিছু নথি চাওয়া হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, এসআইআর শুনানিতে ভোটাররা নথি জমা দিলেও কোনও রসিদ বা প্রাপ্তির কোনও পালটা নথি দেওয়া হচ্ছে না। এখানেই শেষ নয়। পরবর্তীতে ভোটারদের এসব নথির কথা অস্বীকার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। সেক্ষেত্রে কমিশনের তরফে পরে বলা হচ্ছে, ভোটারের যথাযথ নথি পাওয়া যায়নি বা কমিশনের হাতে রেকর্ড নেই। ফলে নাম বাদ গিয়েছে। এই পদ্ধতি পুরোপুরি অসাংবিধানিক বলে চিঠিতে লিখেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর আরও অভিযোগ, 'লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সি' নিয়ে কমিশন যা বলছে, তাও ত্রুটিপূর্ণ বলে মনে করছেন তিনি। সবমিলিয়ে অভিযোগের মূল সুর একটিই, এসআইআরের এই পদ্ধতি বিভ্রান্তিকর এবং জনতার কাছে বিড়ম্বনার।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, এসআইআর শুনানিতে ভোটাররা নথি জমা দিলেও কোনও রসিদ বা প্রাপ্তির কোনও পালটা নথি দেওয়া হচ্ছে না।

এসআইআরের কারণে সাধারণ মানুষের অযথা হয়রানি হচ্ছে, এই অভিযোগে একাধিকবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি লিখেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। এবার সবচেয়ে কম, মাত্র ৪৮ ঘণ্টা ব্যবধানে ফের জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিলেন তিনি। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর কোনও অভিযোগ নিয়েই কোনও জবাব দেয়নি কমিশন। আগামী ৩১  জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই শুনানির কাজ। ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। তাতে যাতে কোনও গন্ডগোল না থাকে অর্থাৎ কোনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ না পড়ে, সেই কারণেই তৃণমূলের এই লড়াই বলে মনে করা হচ্ছে। 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement