সামনেই বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই কৃষকবন্ধু প্রকল্পে বরাদ্দ অর্থ পৌঁছে দিতে হবে কৃষকদের হাতে। আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে এমনটাই বার্তা কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় দিয়েছেন বলে খবর। শুধু তাই নয়, কৃষি দপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্পের বাকি থাকা কাজ দ্রুত শেষ করতে হবে বলেও নির্দেশ তাঁর। বিশেষ করে কৃষকবন্ধু প্রকল্পের অর্থ প্রদান, শস্যবিমা, কৃষি সহায়ক যন্ত্রের মতো প্রকল্পগুলিতে কারও কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না, তা বাড়ি বাড়ি গিয়ে দেখতে হবে বলে নির্দেশ মন্ত্রীর।
আজ বুধবার নবান্নে কৃষিদপ্তরের পর্যালোচনা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বৈঠকে ছিলেন কৃষি ও কৃষি বিপণন দপ্তরের প্রধান সচিব ওঙ্কার সিং মিনা। ভার্চুয়ালি অংশ নেন জেলার কৃষি আধিকারিকরা। সেই বৈঠকেই মন্ত্রী জানিয়েছেন, যাবতীয় কাজ কতটা বাকি রয়েছে খতিয়ে দেখে সেই অনুযায়ী প্রতিটি জেলায় বাড়তি নজর দিতে হবে। সূত্রের খবর, খরিফ মরসুমে কৃষকবন্ধু প্রকল্পের বরাদ্দ অর্থ ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কৃষকদের হাতে পৌঁছে দেওয়ার সময়সীমা দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী। কোথাও কোনও কারণে কৃষকদের এই অর্থ পেতে সমস্যা হলে তাঁদের বাড়ি গিয়ে তার সমাধান করবেন কৃষি আধিকারিকরা।
সূত্রের খবর, খরিফ মরসুমে কৃষকবন্ধু প্রকল্পের বরাদ্দ অর্থ ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কৃষকদের হাতে পৌঁছে দেওয়ার সময়সীমা দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী। কোথাও কোনও কারণে কৃষকদের এই অর্থ পেতে সমস্যা হলে তাঁদের বাড়ি গিয়ে তার সমাধান করবেন কৃষি আধিকারিকরা।
বলে রাখা প্রয়োজন, গত ২৮ জানুয়ারি থেকে এই অর্থ দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে রাজ্যের প্রতিটি জেলায়। বৈঠকে কোন জেলায় কাজ কতদূর এগিয়েছে তা আধিকারিকদের কাছে জানতে চান কৃষিমন্ত্রী। তাঁর নির্দেশ, মুখ্যমন্ত্রীর গ্রিভান্স সেলে এই সংক্রান্ত যে সমস্ত অভিযোগ এসেছে, তা খতিয়ে দেখে অভিযোগকারী কৃষকের বাড়ি গিয়ে সমস্যার দ্রুত সমাধান করতে হবে। আধার, কেওয়াইসি-র মতো কোনও সমস্যা থাকলেও কিভাবে তার সমাধান করা যায়, তা দেখতে হবে।
পাশাপাশি ক্ষেতমজুরদের কৃষকবন্ধু দেওয়ার বিষয়টি নিয়েও এদিন বৈঠকে আলোচনা হয় বলে খবর। ধানের ফলন আরও ভালো করতে খরিফ মরসুমের আগেই জমিতে ‘মাইক্রো নিউট্রিয়েন্টস’-এ জিঙ্কের পরিমাণ বাড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে বলেও এদিন জেলার কৃষি আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন শোভনদেব। এ বিষয়ে জেলা আধিকারিকদের কৃষি বিজ্ঞানীদের পরামর্শও নিতে বলেছেন মন্ত্রী।
